এক ঝলক
অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তৃণমূলকেই কাঠগড়ায় দাঁড় করালেন মুখ্যমন্ত্রী মধ্য রাতে নিউ মার্কেটের কাছে একটি হোটেলে আগুন, শিশুসহ মৃত ৯ রেলওয়ে এবং আঞ্চলিক শিল্পশক্তির যৌথ উদ্যোগ– সামিট ২০২৬ কলকাতায় শহর সরকারি ভাষা বাস্তবায়ন কমিটির সভা জলবন্দি এলাকায় বোটে চেপে দুর্গতদের পাশে পুলিশ সুপার

প্রবল জলের তোড়ে ভাঙল সেতু, পাঁচ-ছ’টি গ্রামের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

স্বপ্নীল মজুমদার (ঝাড়গ্রাম): টানা বর্ষণের জেরে প্রবল জলের তোড়ে ভেঙে পড়ল সেতু। আর সেই সময় সেতুর উপর দিয়ে সাইকেল নিয়ে যাচ্ছিলেন এক ব্যক্তি। আচমকাই মাঝের অংশ বসে যেতেই সাইকেল-সহ জলে পড়ে যান তিনি।স্থানীয় বাসিন্দাদের তৎপরতায় দ্রুত উদ্ধার হওয়ায় অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচেছেন ওই ব্যক্তি। মঙ্গলবার ঘটনাটি ঘটেছে বিনপুর-২ ব্লকের বেলপাহাড়ির সন্দাপাড়া অঞ্চলের বড়ডিহা গ্রামের কাছে। সেতু ভেঙে যাওয়ায় পাঁচ-ছ’টি গ্রামের সঙ্গে বেলপাহাড়ি সদরের যোগাযোগ কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। স্থানীয় সূত্রের খবর, বেলপাহাড়ির দিক থেকে প্রবল বেগে নেমে আসা জলের স্রোতে আচমকাই সেতুর মাঝের অংশ বসে যায়। একই সঙ্গে সেতুর সঙ্গে পিচ রাস্তার সংযোগস্থলের অ্যাপ্রোচ রাস্তাতেও ধস নেমেছে। ফলে যানবাহন তো দূরের কথা, ওই রাস্তা দিয়ে পায়ে হেঁটে বা সাইকেল নিয়েও যাতায়াত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ঘটনার সময় এক ব্যক্তি সাইকেল নিয়ে সেতুটি পার হচ্ছিলেন। আচমকা সেতুর একটি অংশ জলের চাপে বসে যাওয়ায় সাইকেল-সহ তিনি জলে পড়ে যান। স্থানীয় বাসিন্দারা ছুটে এসে তাঁকে টেনে তুলে উদ্ধার করেন। বড়ডিহা, শ্রীনাথপুর, টুমকাশোল, পাকুড়াশোল-সহ বেশ কয়েকটি গ্রামের মানুষের যাতায়াতের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা এটি। প্রতিদিন এই পথ দিয়ে স্কুল-কলেজের পড়ুয়া, চাকরিজীবী, কৃষক ও ব্যবসায়ীরা যাতায়াত করেন। সেতু ভেঙে যাওয়ায় মুরার হাইস্কুলে যাতায়াতে সমস্যায় পড়েছে পড়ুয়ারা। একই ভাবে বেলপাহাড়ি ব্লক গ্রামীণ হাসপাতালেও পৌঁছতে সমস্যায় পড়ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ঝাড়খণ্ড সীমান্ত লাগোয়া এলাকার বাসিন্দাদের কাছেও এই রাস্তা ছিল যোগাযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। সেতু ভেঙে যাওয়ায় বাজারে যাতায়াত, কৃষিপণ্য নিয়ে যাওয়া, স্কুল-কলেজে পৌঁছনো থেকে শুরু করে জরুরি প্রয়োজনে হাসপাতালে যাওয়াও কার্যত অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, প্রায় তিন বছর আগে সেতুটির গার্ডওয়াল ভেঙে গিয়েছিল। তার পর থেকে একাধিক বার প্রশাসনকে জানানো হলেও স্থায়ী ভাবে মেরামতির উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। আগে প্রয়োজনীয় সংস্কার করা হলে প্রবল জলের চাপে এ ভাবে সেতুটি ভেঙে পড়ত না বলেই দাবি তাদের। ঘটনার পর সেতুর দু’দিকেই যাতায়াত বন্ধ হয়ে গিয়েছে। দ্রুত সেতুটি মেরামত করে যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। আপাতত গ্রামবাসীরাই উদ্যোগ নিয়ে বিকল্প ভাবে একটি সাঁকো তৈরির চেষ্টা করছেন। বিনপুরের বিধায়ক প্রণত টুডু বলেন, আমি বিষয়টি নিয়ে বিডিওর সঙ্গে কথা বলেছি। খুব দ্রুত যাতায়াতের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা করা হবে।
Ganamadhyam
20 August, 2026
ই-পেপার