আগামীকাল থেকে এই পরিষেবা চালু হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়তেই দক্ষিণ দিনাজপুরের ভারত–বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী হিলি চেকপোস্ট এলাকায় উৎসাহের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা, ব্যবসায়ী এবং বাংলাদেশ থেকে চিকিৎসার জন্য ভারতে আসা রোগীদের পরিজনদের মধ্যেও এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে দেখা গিয়েছে আনন্দের আবহ। তাদের আশা, টুরিস্ট ভিসা পুনরায় চালু হলে দুই দেশের মানুষের যাতায়াত যেমন সহজ হবে, তেমনি সীমান্ত এলাকার অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গণঅভ্যুত্থানের আগে টুরিস্ট ভিসার মাধ্যমে প্রতিদিন প্রায় ৭০০ থেকে ৮০০ যাত্রী হিলি সীমান্ত দিয়ে যাতায়াত করতেন। তবে গত দুই বছর শুধুমাত্র মেডিকেল ভিসা চালু থাকায় সেই সংখ্যা কমে দাঁড়ায় দৈনিক ১৫০ থেকে ২০০ জনে। পর্যটন ভিসা পুনরায় চালু হওয়ায় আগামী দিনে হিলি সীমান্ত দিয়ে যাত্রী চলাচল উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করছেন সীমান্ত এলাকার ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ। তাঁদের মতে, এর ফলে স্থানীয় ব্যবসা- বাণিজ্য, হোটেল, পরিবহণ ও অন্যান্য পরিষেবা ক্ষেত্রেও নতুন করে গতি আসবে।