এক ঝলক
ফের চালু ভারতের টুরিস্ট ভিসা, হিলি সীমান্তে খুশির হাওয়া অতিভারী বৃষ্টির আগে ডাইনা নদীতে ড্রেজিং শুরু, স্বস্তিতে এলাকাবাসী সৈয়দ নুরুল হাসান কলেজে দুর্নীতির অভিযোগ, তদন্তের দাবিতে সরব এবিভিপি আবাস যোজনায় কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ, ধুলিয়ানে গ্রেপ্তার তৃণমূল কাউন্সিলর মটগোদায় সমবায় গুদাম ঘিরে উত্তেজনা, উদ্ধার সরকারি সামগ্রী

দীর্ঘ দিন কেন্দ্র রাজ্য সমন্বয়ের অভাবে উন্নয়নের গতি কমে যায় ঃ জগন্নাথ

নিজস্ব সংবাদদাতা ঃ ‘বিশ্ব এমএসএমই দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে শনিবার কলকাতার দ্য বেঙ্গল চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি-তে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উচ্চশিক্ষা ও কারিগরি শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন দপ্তরের মন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় শিল্প, শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং রাজ্যের অর্থনৈতিক অগ্রগতিকে ঘিরে সরকারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন।
Ganamadhyam
28 June, 2026
পাশাপাশি কলেজে শূন্য আসন, জাতীয় শিক্ষানীতি  এবং রাজ্যের উন্নয়ন মডেল নিয়েও তিনি বিস্তারিত বক্তব্য রাখেন।মন্ত্রী বলেন, নতুন সরকার এখনও কাজের প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। ধীরে ধীরে প্রশাসনিক গতি বাড়ছে এবং আগামী দিনে শিল্প, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে আরও বড় পরিবর্তন দেখা যাবে।উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিশেষ করে বিজ্ঞান বিভাগে বহু আসন খালি থাকার প্রসঙ্গে জগন্নাথ বলেন, ভর্তি প্রক্রিয়া এখনও সম্পূর্ণ হয়নি, তাই চূড়ান্ত চিত্র এখনই স্পষ্ট নয়। তবে তিনি স্বীকার করেন, অতীতে প্রকৃত চাহিদার মূল্যায়ন না করেই বহু কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে আসন সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল। তিনি জানান, প্রতি বছর প্রায় ৬ থেকে ৬.৫ লক্ষ ছাত্রছাত্রী উচ্চমাধ্যমিক পাশ করলেও রাজ্যে উচ্চশিক্ষার জন্য প্রায় ৯.৫ লক্ষ আসন রয়েছে। ফলে সব আসন পূরণ হওয়া বাস্তবসম্মত নয়। তার দাবি, এটি বর্তমান সরকারের নয়, বরং পূর্ববর্তী পরিকল্পনার ত্রুটির ফল।জাতীয় শিক্ষানীতি এবং উচ্চশিক্ষায় বেসরকারি বিনিয়োগ প্রসঙ্গে প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, উচ্চশিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নের সঙ্গে যুক্ত জাতীয় শিক্ষানীতির ইতিবাচক দিকগুলি রাজ্য সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বাস্তবায়ন করবে।মন্ত্রী দাবি করেন, সরকার দায়িত্ব নেওয়ার সময় রাজ্যের কোষাগারে মাত্র তিন থেকে চার মাস প্রশাসন চালানোর মতো অর্থ ছিল। তা সত্ত্বেও সাম্প্রতিক বাজেটে মূলধনী ব্যয় ও উন্নয়ন প্রকল্পের বরাদ্দ ২২ হাজার কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭২ হাজার কোটি টাকা করা হয়েছে। তার মতে, কেন্দ্র ও রাজ্যের সমন্বিত উদ্যোগ বা ‘ডবল ইঞ্জিন সরকার’-এর ফলেই এই অগ্রগতি সম্ভব হয়েছে।জগন্নাথ বলেন, পশ্চিমবঙ্গের আধুনিক উন্নয়নের ভিত্তি গড়ে উঠেছিল ডাঃ বিধানচন্দ্র রায়ের সময়ে। তার আমলে সল্টলেক, কল্যাণী, খড়গপুর, হলদিয়া এবং শিলিগুড়ির মতো অঞ্চলে শিল্পায়ন ও পরিকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছিল। পরে দীর্ঘদিন কেন্দ্র-রাজ্য সমন্বয়ের অভাবে সেই গতি কমে যায়। বিশ্ব এমএসএমই দিবসের অনুষ্ঠানে মন্ত্রী জানান, রাজ্য সরকার প্রযুক্তিগত শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং শিল্পের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। তার মতে, শক্তিশালী এমএসএমই  ক্ষেত্রই কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং 'বিকশিত ভারত ২০৪৭'-এর লক্ষ্য পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
ই-পেপার