তরুণ তাঁতি (হুগলি): মহালয়ায় দেবীপক্ষের সূচনা হয়েছে। দুর্গাপুজোর শেষ বেলার প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে পুজো মন্ডপে ঘুরলেন চন্দননগর পুলিশ কমিশনার।শ্রীরামপুরে আর এম এস মাঠে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী পুজোয় আসতে পারেন বলে এমন সম্ভাবনা রয়েছে।সেই ভাবে প্রস্তুতি শুরু করেছে পুলিশ।তবে এই বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে এখনো কিছু জানানো হয়নি। শ্রীরামপুর রেল স্টেশনের পাশে মার্কেট কমপ্লেক্স এর মধ্যে আরএমএস মাঠ। বাজারে প্রচুর ভীড় হয়।পুজোর দিন গুলোতে বহু মানুষ আসেন শতবর্ষ প্রাচীন এই পুজো দেখতে। সেই পুজোর প্রস্তুতি কেমন, মাঠে ঢোকা বেরোনোর রাস্তা দর্শকদের মন্ডপ দেখে নির্ঝঞ্ঝাটে বেরোনোর পথ, মূলত নিরাপত্তার বিষয়টি দেখে নেন পুলিশ কমিশনার সুনীল কুমার যাদব।ডিসিপি শ্রীরামপুর অন্যব বিশ্বাস সহ পুলিশ আধিকারীকদের নিয়ে শ্রীরামপুরের আরো কয়েকটি পূজো প্রস্তুতি খতিয়ে দেখেন।পুলিশ কমিশনার জানান, এবার চন্দননগর পুলিশ কমিশনার এলাকায় ১৭০০ টির বেশি দুর্গাপূজা হচ্ছে।গত বছরে পুজো হয়েছিল ১৫৫৮টি। ১৫৩২ টা পুজো কমিটিকে সরকারি অনুদান দেওয়া হয়েছিল।এবারে যেহেতু পূজোর সংখ্যা বাড়ছে তাই ব্যবস্থাপনা বাড়ছে।প্রত্যেকটা পুজো আমরা ঘুরে ঘুরে দেখছি আধিকারিকরা আই সি ওসিরা রাস্তায় আছেন।বিদ্যুৎ দমকল সবাইকে নিয়ে পরিদর্শন করা হচ্ছে।আশা করছি পূজো নিয়ে কোন সমস্যা হবে না। সিপি বলেন, এবারে আমরা পুজোর সময় ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের উপর জোর দিচ্ছি।প্রত্যেক পুজো বারোয়ারিকে বলে দেওয়া হয়েছে একশ শতাংশ সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় রাখতে হবে।দ্বিতীয়তঃ রাজ্য সড়ক এবং জাতীয় সড়কের উপরে কোন গেট করা যাবে না।করতে গেলে পূর্ত দপ্তরের ছাড়পত্র নিতে হবে। যারাই পুজোর জন্য আবেদন করেছেন তাদের সমস্ত কিছু খতিয়ে দেখছি আমরা।জমি নিয়ে কোনো সমস্যা আছে কিনা সেটা যেমন দেখা হচ্ছে পাশাপাশি নিরাপত্তার উপর জোর দেওয়া হচ্ছে।