তরুণ তাঁতি (হুগলি): হুগলিতে সেবা জ্যোতি যাত্রা পালিত হল। হুগলির সদর শহর চুঁচুড়ায় জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিজেপি সমর্থকরা উপস্থিত হন চুঁচুড়া ডিআই মাঠে।সেখানে সভা মঞ্চ করা হয়।মঞ্চে প্রধানমন্ত্রীর কর্মজীবন নিয়ে কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠানের সরাসরি সম্প্রচার করা হয়। হুগলির আরামবাগ শ্রীরামপুর চন্দননগর এবং সদর মহকুমা থেকে গাড়ি করে বহু বিজেপি সমর্থক এসে উপস্থিত হন। খাদিনার মোড় থেকে বাইক র্যালি শুরু হয়।বাইক র্যালিতে যোগদেন প্রতিমন্ত্রী ভাস্কর ভট্টাচার্য, সুমনা সরকার, বিধায়ক দীপাঞ্জন গুহ,স্বরাজ ঘোষ, তুষার মজুমদার, হুগলি জেলা সভাপতি গৌতম চট্টোপাধ্যায়, শ্রীরামপুর জেলা সভাপতি শশী সিং সহ জেলার বিজেপি বিধায়ক ও কার্যকর্তারা।মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন হুগলি জেলা শাসক খুরশিদ আলি কাদরি ও চন্দননগর পুলিশ সুপার সুনীল কুমার যাদব।এই শোভাযাত্রা সেবা জ্যোতি পৌঁছায় হুগলি জেলা কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে।এই কর্মসূচিকে ঘিরে জেলা সদর শহরের বিভিন্ন জায়গায় নো এন্ট্রি করা হয়।বাইক র্যালি এবং শোভা যাত্রার জন্য অনেক রাস্তায় গার্ড রেল দিয়ে আটকানো হয়।
তাই নিয়ে মমতা তৃণমূলের হুগলি জেলা কনভেনার অসিত মজুমদারের অভিযোগ এতে সাধারণ মানুষকে অসুবিধায় পড়তে হয়েছে।তিনি বলেন, একটা কর্ম ব্যস্ততার দিনে ট্রাফিক আটকে দিয়ে এই ধরনের মিছিল করা ঠিক না। আমাকেও তো মিটিং করতে বাধা দেওয়া হয়েছে শ্রীরামপুরে।জি টি রোড নাকি আটকে যাবে।আজকে কি হল।সরকারে থাকলে সব করা যায়। হুগলি সাংগঠনিক জেলা সভাপতি গৌতম চট্টোপাধ্যায়ের জবাব, আমাদের কর্মসূচি সকাল বেলায় তাই এখানে রাস্তা আটকানোর কোন ব্যাপার নেই।আমরা কোথাও রাস্তা আটকাইনি।এখানে সভা হচ্ছে সেখানে হয়তো একটু সমস্যা হয়েছে।তৃণমূল গত ১৫ বছর ধরে রাস্তা আটকে কত মিটিং করেছে মিছিল করেছে আজকে সাধু সাজছে নাকি?