মঙ্গলবার প্রায় কয়েক হাজার পরিবারের পক্ষে এই প্রতিনিধিদল ফারাক্কার বিডিও অফিসে স্মারকলিপি প্রদান করেন। এদিন স্থানীয় বাসিন্দাদের পক্ষে যতীন হালদার জানান, দীর্ঘদিন ধরে পঞ্চায়েত নির্বাচনে ভোটাধিকার ও বিভিন্ন উন্নয়নমূলক সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন এই এলাকার প্রায় কয়েক হাজার পরিবারের বাসিন্দারা। অথচ ১৯৭৪ সালের ১০ই মে প্রকাশিত গেজেট নোটিফিকেশন এবং ২০০৭ সালের ৩১শে ডিসেম্বরের সরকারি স্মারক অনুযায়ী মৌজা শ্রীরামপুরের অংশ হিসেবে এই এলাকা বেওয়া-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্ভুক্ত ছিল, যা গত ৫০ বছর ধরে বলবৎ রয়েছে। তা সত্ত্বেও স্থানীয় বাসিন্দারা পঞ্চায়েতের মৌলিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বলে অভিযোগ। বাসিন্দাদের দাবি অবিলম্বে ২নং নিশিন্দ্রা কলোনিকে গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্ভুক্ত করা। একশো দিনের কাজ, আবাস যোজনা, বার্ধক্য ও বিধবা ভাতা প্রদান।পানীয় জল,পাকা রাস্তা এবং জল নিষ্কাশন ব্যবস্থা সহ পঞ্চায়েতের সমস্ত মৌলিক সুবিধা প্রদান। এদিন বিডিওর পক্ষ থেকে সমস্ত বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখার এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। এই বিষয়ে ফারাক্কার বিডিও সুজয় ব্যাপারী জানান, আজকে দু'নম্বর নিশিন্দ্রা কলোনি উন্নয়ন কমিটির তরফ থেকে বেশ কিছু বাসিন্দা এসেছিলেন। তাদের দীর্ঘদিনের দাবি যে ফারাক্কা ব্লকে ছ’টি কলোনি রয়েছে, সেটা কোনো পঞ্চায়েতের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হয়নি। ফলে ওনারা পঞ্চায়েতের যে সমস্ত সুযোগ-সুবিধাগুলো রয়েছে, সেগুলো থেকে বঞ্চিত রয়েছেন এবং সেখানে তার জন্য তাঁদের বিভিন্ন রকম সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। তিনি আরও জানান যে এটি একটি জটিল প্রশাসনিক প্রক্রিয়া এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে দ্রুত সমস্যার সমাধান না হলে আগামী দিনে আরও বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন এলাকার বাসিন্দারা।