কথায় আছে খিচুড়ি অন্ন পায়েশ তিন নিয়ে মাহেশ। সকাল থেকেই চলছে বিশেষ পুজো, পুজো দিতে আসেন শ্রীরামপুর, ব্যারাকপুর চন্দননগরের বিধায়করা। বেলা গড়িয়ে দুপুর হতেই জগন্নাথ মন্দিরে এসে হাজির হন পঞ্চায়েত ও গ্রাম উন্নয়ন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। জগন্নাথ দেবের কাছে পুজো দেন মন্ত্রী,পাশাপাশি মন্দিরের তরফ থেকে তাকে একটি জগন্নাথ দেবের ছবি উপহার দেওয়া হয়। এরপর পুজো শেষ হলে মহাপ্রভু জগন্নাথ দেবের যে বিশেষ ৫৬ ভোগ উৎসর্গ করা হয়েছিল সেই ভোগ থেকে মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ প্রসাদ হিসেবে গ্রহণ করেন। এরপর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন মাহেশের জগন্নাথ মন্দির বহু প্রাচীন ৬০০ বছরের পুরনো তবে ছোটবেলা থেকে রথ দেখেছি। কিন্তু মাহেশের প্রভু জগন্নাথের দর্শন হয়নি। আজ আমার সৌভাগ্য জগন্নাথ দেবের নব যৌবনের বিশেষ পুজোর দিনে মহাপ্রভুর দর্শন পেলাম, পাশাপাশি তিনি বলেন পশ্চিমবঙ্গের যত ঐশ্বর্যশালী রথ রয়েছে তাদের প্রত্যেককে সরকারের পক্ষ থেকে পাঁচ লক্ষ টাকা করে অনুদান দেওয়া হয়েছে যাতে সুষ্ঠু সুন্দরভাবে রথ পরিচালনা করতে পারে যাতে সাধারণ মানুষের কোন সমস্যা না হয়। সাধারণ মানুষের দান ধ্যান দক্ষিণাতে পুজোপাঠ হয় তবে সরকারেরও কিছু দায়িত্ব থাকে যেখানে এইসব ঐতিহ্যশালী পুরনো প্রতিষ্ঠানগুলিতে সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসা। এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে গুন্ডা দমন বিল নিয়ে বলেন বিরোধীদের নয় গুন্ডাদের ভয় হচ্ছে। তারা চিৎকার চেঁচামেচি করছে। গুন্ডা দমন বিল এলে কাদের কষ্ট হবে? পাড়ায় পাড়ায় আরজি করের মত ঘটনা ঘটছে মা বোনেদের মান সম্মানের কোন সুরক্ষা নেই, তারা আবার ভয় দেখাচ্ছে ধমকে বেড়াচ্ছে। গুন্ডা শুধু পাড়ায় পাড়ায় নেই পুলিশের মধ্যেও আছে, পার্টির মধ্যেও আছে, যারা অসামাজিক কাজে থাকবে তাদের যোগ্য শাস্তি হবে।