এক ঝলক
একশো কোটির বেশি বিনিয়োগে জেলা পরিষদ ও পঞ্চায়েতের অনুমতি লাগবে না: মুখ্যমন্ত্রী ডানকুনিতে কারখানা সম্প্রসারণে ৬০০ কোটির লগ্নি, উপস্থিত মুখ্যমন্ত্রী নিহত ইন্দ্রজিতের পরিবারের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি মুখ্যমন্ত্রীর ৩২ ভারতীয় পর্যটক-সহ নৌকা ডুবি ভিয়েতনামে, মৃত্যু অন্তত ১৫ নিজস্ব সংবাদদাতা: আরজি কর হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় নির্যাতিতার ভিসেরা নমুনা ও রিপোর্ট কারচুপি বা বিকৃত করার অভিযোগে এবার তদন্ত শুরু করল সিবিআই। কারণ, এবার নির্যাতিতার পরিবারের করা আবেদনে মান্যতা দিয়েছে শিয়ালদহ আদালত৷

গুন্ডারাই আজ গুন্ডা দমনের বিল আনছে, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের কটাক্ষ

নিজস্ব সংবাদদাতা(বর্ধমান):একুশে জুলাইয়ের শহিদ দিবসের প্রস্তুতিকে সামনে রেখে শনিবার পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেস কার্যালয়ে দলীয় কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে প্রস্তুতি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ তথা বিশিষ্ট আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রাক্তন মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ, বর্ধমান-দুর্গাপুর সাংসদ কীর্তি আজাদ। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে একাধিক রাজনৈতিক ইস্যুতে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন তিনি।সম্প্রতি সংসদে গুন্ডা দমন সংক্রান্ত বিল নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, যারা একসময় নিজেরাই গুন্ডামি করেছে, তারাই আজ গুন্ডা দমনের বিল আনছে। এর থেকে বড় পরিহাস আর কিছু হতে পারে না।
Ganamadhyam
12 July, 2026
দলীয় কর্মীদের পাশে থাকার বার্তা দিয়ে সাংসদ বলেন, "আমি আগামী এক বছর রোজগারের দিকে মন দেব না। শুধুমাত্র আমাদের তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীদের বিরুদ্ধে যে অসংখ্য মামলা দায়ের হয়েছে, সেই মামলাগুলি লড়াই করাই হবে আমার প্রধান কাজ। তিনি দাবি করেন, রাজ্যজুড়ে প্রায় ১৪ হাজার তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী ও সমর্থকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাদের আইনি সহায়তা দেওয়া এবং পাশে দাঁড়ানোই এখন দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেন তিনি। তার কথায়, আজ বহু তৃণমূল কর্মী নানা সমস্যার মধ্যে রয়েছেন। তাদের পাশে দাঁড়ানোই সবচেয়ে বড় মানবিক এবং রাজনৈতিক দায়িত্ব।
এদিন বর্ধমান–পূর্বের সাংসদ শর্মিলা সরকারকেও কটাক্ষ করতে ছাড়েননি কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, শর্মিলা সরকার তৃণমূলের সময়েই সাংসদ হয়েছেন। দল ছেড়ে এখন তিনি কোথায়?তিনি কি বর্ধমানে আসতে পারেন? শুধু সংসদে যাওয়া, বাড়ি ফেরা, বিধানসভায় যাওয়া, প্রেস মিট করা আর বাড়ি ফেরা—এতেই দায়িত্ব শেষ! মানুষের বিপদের সময় তাদের পাশে দাঁড়ানোই প্রকৃত জনপ্রতিনিধির কাজ। বালির মূল্যবৃদ্ধির প্রসঙ্গ টেনে তিনি অভিযোগ করেন, একসময় যে বালির দাম ছিল ১২০০ টাকা, এখন তা বেড়ে ১৬০০ টাকা হয়েছে। এই মূল্যবৃদ্ধি শুভেন্দু অধিকারীর আমলেই হয়েছে।
একুশে জুলাইয়ের শহিদ দিবসের সমাবেশ নিয়ে হাইকোর্টের সম্ভাব্য নির্দেশ প্রসঙ্গেও মন্তব্য করেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, হাইকোর্ট যেখানে সভা করার নির্দেশ দেবে, আমরা সেখানেই সভা করব। আদালতের নির্দেশকে আমরা সর্বদা সম্মান করি। আগামী শহিদ দিবসের কর্মসূচি সফল করতে সাংগঠনিক প্রস্তুতি, কর্মীদের অংশগ্রহণ এবং বিভিন্ন সাংগঠনিক বিষয় নিয়ে বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
ই-পেপার