স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি বলেন, চিল্কিগড়ের ঐতিহাসিক কনকদুর্গা মন্দির জেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন কেন্দ্র। অথচ ডুলুং নদীর উপর স্থায়ী সেতু না থাকায় ভারী বৃষ্টিতে নদীর জলস্তর বাড়লেই চিল্কিগড় ও জামবনি এলাকার মধ্যে যোগাযোগ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। সাধারণ মানুষ থেকে পর্যটক— সকলকেই সমস্যায় পড়তে হয়। বিধায়ক জানান, বর্ষাকালে ডুলুং নদীর কজওয়ে জলের তলায় চলে গেলে জামবনি ব্লকের বিস্তীর্ণ এলাকার সঙ্গে ব্লক সদর গিধনির সহজ যোগাযোগ কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। সেই সময় রোগী, প্রসূতি, পড়ুয়া, ব্যবসায়ী ও নিত্যযাত্রীদের চরম দুর্ভোগের মুখে পড়তে হয়। জরুরি পরিষেবা পৌঁছাতেও নানা সমস্যা তৈরি হয়। সম্প্রতি টানা বৃষ্টিতে ডুলুং নদীর জল বেড়ে কজওয়ের উপর দিয়ে প্রবল স্রোত বইতে শুরু করায় ফের সেই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। ঝুঁকি নিয়েই অনেককে নদী পারাপার করতে হচ্ছে। ফলে দীর্ঘদিনের সেতুর দাবি আবারও জোরালো হয়েছে। বিধানসভায় প্রণত টুডু আরও জানান, প্রস্তাবিত সেতুর জন্য প্রয়োজনীয় বিস্তারিত প্রকল্প প্রতিবেদন (ডিপিআর), নকশা এবং অন্যান্য কারিগরি নথি ইতিমধ্যেই প্রস্তুত রয়েছে। তাই জনস্বার্থের পাশাপাশি চিল্কিগড়ের পর্যটন শিল্পের বিকাশের কথা বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট দফতরের মন্ত্রী যাতে দ্রুত স্থায়ী সেতু নির্মাণের কাজ শুরু করার উদ্যোগ নেন, সেই আবেদন জানান তিনি। ডুলুং নদীর উপর স্থায়ী সেতুর দাবি চিল্কিগড় ও জামবনি এলাকার মানুষের বহু বছরের। স্থানীয়দের আশা, এই সেতু নির্মিত হলে বর্ষাকালের যোগাযোগ সমস্যার স্থায়ী সমাধান হওয়ার পাশাপাশি কনকদুর্গা মন্দিরকে কেন্দ্র করে পর্যটনেরও আরও বিকাশ ঘটবে। যোগাযোগ সমস্যার স্থায়ী সমাধান হওয়ার পাশাপাশি কনকদুর্গা মন্দিরকে কেন্দ্র করে পর্যটনেরও আরও বিকাশ ঘটবে।