এক ঝলক
তৃনমূলের তালিকায় ১২ লক্ষ অযোগ্য, আবাসে দ্বিতীয় কিস্তির টাকা দেওয়া হল মিলন মেলায় বিনিয়োগ টানতে উদ্যোগী শুভেন্দু অধিকারী ধর্ষণে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড তেহলকার তরুণ তেজপাল হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মহুয়া উত্তরপাড়া হাসপাতালের হাল ফেরাতে নতুন উদ্যোগ

তৃনমূলের তালিকায় ১২ লক্ষ অযোগ্য, আবাসে দ্বিতীয় কিস্তির টাকা দেওয়া হল

নিজস্ব সংবাদদাতা: পশ্চিমবঙ্গ আবাস প্রকল্পে ১৮ লক্ষ মানুষকে দেওয়া হল দ্বিতীয় কিস্তির টাকা।বৃহস্পতিবার নবান্ন থেকে সাংবাদিক বৈঠক করে পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ জানান, উপভোক্তাদের দ্বিতীয় কিস্তির টাকা আজই সকলের অ্যাকাউন্টে ঢুকে যাচ্ছে। ১৮ লক্ষ মানুষ পাবেন ৬০ হাজার টাকা করে। তবে তৃণমূলের তৈরি ৩০ লক্ষের তালিকায় সাড়ে ১২ লক্ষই ‘অযোগ্য’ বলে দাবি করেছেন দিলীপ ঘোষ। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেন,যোগ্যরা সবাই সুবিধা পাবে এই প্রকল্পের। উপভোক্তাদের রং দেখব না, ধর্ম দেখব না। সরকার এদিনই দ্বিতীয় কিস্তির টাকা দিতে শুরু করেছে, এই ঘোষণায় স্বভাবতই খুশি দারিদ্রসীমার নিচে থাকা সরকারি উপভোক্তারা। এবার অসমাপ্ত বাড়ি তৈরির কাজ তারা শেষ করতে পারবেন। কেন্দ্রীয় প্রকল্পের নাম ছিল প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা। বাংলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন সেই নামে আপত্তি তুলে দরিদ্রদের মাথার উপর ছাদ গড়ে দেওয়ার প্রকল্পের নাম বদলে রাখেন ‘বাংলার বাড়ি’। শুভেন্দু অধিকারীর সরকার ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পের নাম বদলে রাখেন ‘পশ্চিমবঙ্গ আবাস’। তৎকালীন শাসক শিবিরের অভিযোগ ছিল, দরিদ্রদের পাকা বাড়ি তৈরির এই প্রকল্পে কেন্দ্র টাকা দিচ্ছে না।
Ganamadhyam
07 August, 2026
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন ঘোষণা করেন, এই অর্থ রাজ্য সরকারই দেবে।  সেইমতো তালিকা তৈরি হয়। ঠিক হয়, প্রতিটি বাড়ির জন্য ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। তার প্রথম কিস্তির টাকা আগেই দেওয়া হয়েছিল। এরপর রাজ্যের ক্ষমতা থেকে সরে যায় তৃণমূল কংগ্রেস। তৈরি হয় বিজেপির সরকার। ডবল ইঞ্জিন সরকারের আমলে বিভিন্ন সামাজিক প্রকল্পের গতি এসেছে। সেইমতো আবাস যোজনার অনুদান প্রদানেও এতটুকু দেরি করল না বর্তমান সরকার।  সরকারি সূত্রের খবর, প্রকল্পের দ্বিতীয় কিস্তির অর্থ ছাড়ার আগে প্রতিটি উপভোক্তার তথ্য নতুন করে যাচাই করা হয়েছে। যাঁরা প্রথম কিস্তির টাকা ব্যবহার করে বাড়ির নির্মাণকাজ লিন্টেল স্তর পর্যন্ত সম্পূর্ণ করেছেন এবং প্রকল্পের সমস্ত শর্ত পূরণ করেছেন, তারাই দ্বিতীয় কিস্তির জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হয়েছেন। রাজ্য সরকারের দাবি, এই যাচাই প্রক্রিয়ার মূল উদ্দেশ্য হল প্রকৃত উপভোক্তাদের হাতে সরকারি অনুদান পৌঁছে দেওয়া এবং কোনও ধরনের অনিয়ম রোধ করা। সেই কারণেই নির্মাণের অগ্রগতি খতিয়ে দেখার পরেই দ্বিতীয় কিস্তির অর্থ অনুমোদন করা হয়েছে।প্রশাসনিক সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী একটি সরকারি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দ্বিতীয় কিস্তির অর্থ বিতরণ প্রক্রিয়ার সূচনা করবেন। প্রথম পর্যায়ে প্রায় ১০ লক্ষ পরিবার এই সুবিধা পাবেন। ভবিষ্যতে বাকি যোগ্য উপভোক্তাদের ক্ষেত্রেও পর্যায়ক্রমে অর্থ ছাড়া হবে।
ই-পেপার