এক ঝলক
নানা ধরনের অনিয়ম হয়েছে, অনিয়ম রুখতেই অন্নপূর্ণা’য় তথ্য যাচাই : মুখ্যমন্ত্রী কাস্ট সার্টিফিকেট যাচাইয়ের ওপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ হাইকোর্টের ধর্মীয় সমাবেশে পাকিস্তানের গোয়েন্দা, স্বীকারোক্তি ধৃত পাক চরের মাইক খোলা নিয়ে জনস্বার্থ মামলা খারিজ হাইকোর্টে রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা পদের ভবিষ্যত ঝুলেই রইলো

ফারাক্কায় বেহাল রাস্তা, টোল আদায় হলেও হয়নি সংস্কার

অভিজিৎ মন্ডল (ফারাক্কা): মুর্শিদাবাদ ফারাক্কা থেকে বাহাদুরপুর হয়ে ঝাড়খন্ড যাওয়ার একমাত্র রাস্তাটি এখন খানাখন্দে পরিণত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ সড়ক যোজনা এর অধীনে তৈরি এই রাস্তার বর্তমান বেহাল দশায় চরম ক্ষুব্ধ এলাকার সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে গাড়ি চালকরা। অভিযোগ, রাস্তার ধারণক্ষমতার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি ওজনের পাথর বোঝাই ট্রাক প্রতিনিয়ত যাতায়াত করার ফলেই এই দুর্দশা। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়ে প্রায় ৪০০ থেকে ৫০০টি পাথর বোঝাই ভারী ট্রাক যাতায়াত করে। স্থানীয় বাসিন্দা সনাতন মণ্ডলের অভিযোগ, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১৬ থেকে ২২ চাকার প্রায় ৩০০-৩৫০টি বড় গাড়ি এই গ্রামের রাস্তা দিয়ে চলাচল করছে, যা রাস্তার ব্যাপক ক্ষতি করছে। কেন্দুয়ার কাছে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে গাড়িগুলি থেকে নিয়মিত টোল ট্যাক্স আদায় করা হয়।এক ট্রাক চালক ৩০০ টাকার টোল ট্যাক্সের রসিদ দেখিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তার অভিযোগ, প্রতিনিয়ত কর দেওয়া সত্ত্বেও রাস্তা মেরামতের কোনো উদ্যোগ নেয় না টোল ট্যাক্স কর্তৃপক্ষ বা প্রশাসন। এই খারাপ রাস্তার কারণে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছে সুদনা এবং পশুপাড়া গ্রামের কয়েকশো ছাত্র-ছাত্রী। প্রতিদিন প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে তাদের বাহাদুরপুর হাই স্কুলে যাতায়াত করতে হয়। সিঙ্গেল রাস্তায় ডবল গাড়ি ঢুকে যাওয়ার ফলে নিত্যদিন যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।স্থানীয়দের আরও অভিযোগ ভারী গাড়ির চাপে রাস্তার পাশের ড্রেন ভেঙে যাচ্ছে, এমনকি বাড়িঘরেরও ক্ষতি হচ্ছে। সম্প্রতি একটি টোটো উল্টে এক শিশু গুরুতর আঘাত পেয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। পাশ কাটানোর কোনো জায়গা না থাকায় পরিস্থিতি আরও ভয়ানক হয়ে উঠেছে বলে জানান স্থানীয় বাসিন্দা ঝাগরু রাও।এলাকাবাসী ও গাড়ি চালকদের একটাই দাবি প্রশাসন অবিলম্বে হস্তক্ষেপ করুক। টোল আদায়ের টাকার সঠিক ব্যবহার করে দ্রুত রাস্তাটি সংস্কার করা হোক, যাতে সাধারণ মানুষ এবং স্কুল পড়ুয়ারা এই প্রতিদিনের দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পায়।
Ganamadhyam
19 August, 2026
ই-পেপার