এক ঝলক
নানা ধরনের অনিয়ম হয়েছে, অনিয়ম রুখতেই অন্নপূর্ণা’য় তথ্য যাচাই : মুখ্যমন্ত্রী কাস্ট সার্টিফিকেট যাচাইয়ের ওপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ হাইকোর্টের ধর্মীয় সমাবেশে পাকিস্তানের গোয়েন্দা, স্বীকারোক্তি ধৃত পাক চরের মাইক খোলা নিয়ে জনস্বার্থ মামলা খারিজ হাইকোর্টে ৬৫ শতাংশ বকেয়া দেওয়া শেষ, রাজ্যের দাবিতে কর্মী সংগঠনের অসন্তোষ

কাস্ট সার্টিফিকেট যাচাইয়ের ওপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ হাইকোর্টের

নিজস্ব সংবাদদাতা : জাতিগত শংসাপত্র বা কাস্ট সার্টিফিকেট যাচাইয়ের উপরে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ জারি করল কলকাতা হাইকোর্ট। গত ১৪ মে রাজ্য সরকার জাতিগত শংসাপত্র সংক্রান্ত বিষয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়েছিল, ২০১১ সাল থেকে তফসিলি জাতি, উপজাতি এবং অন্য অনগ্রসর শ্রেণির যে সব শংসাপত্র দেওয়া হয়েছে, তা যাচাই করা হবে। কোনও শংসাপত্র ‘ভুয়ো’ প্রমাণিত হলে তা বাতিল করা হতে পারে বলেও জানানো হয়। ওই বিজ্ঞপ্তির ওপর মঙ্গলবার অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিল হাই কোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর ডিভিশন বেঞ্চ। রাজ্যের জারি করা বিজ্ঞপ্তিকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা দায়ের হয় হাইকোর্টে। সেই মামলায় এই নির্দেশ ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের। ২০১১ সাল থেকে ইস্যু হওয়া ১.৬৯ কোটি কাস্ট সার্টিফিকেট আরও একবার যাচাইয়ের জন্য বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল রাজ্য। গত ১৪ মে এই বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়। এ ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে যাচাইয়ে বাধা নেই, তা আইনে আছে। কিন্তু নির্দিষ্ট সময় থেকে ধরে যাবতীয় এসসি, এসটি, ওবিসি সার্টিফিকেট রিভেরিফাইয়ের সরকারি বিজ্ঞপ্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলে মামলা হয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টে।তৃণমূল জমানায় তফশিলি জাতি– উপজাতি অথবা অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির জন্য ইস্যু করা জাতিগত শংসাপত্রে জালিয়াতির ভূরি ভূরি অভিযোগ উঠেছিল। গত কয়েক বছরে ভুয়ো জাতিগত শংসাপত্র ব্যবহার করে সংরক্ষণের সুযোগ নিয়ে চাকরি, গবেষণা ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির অভিযোগ ওঠে। রাজ্য প্রশাসন সূত্রের খবর, এই সময়ের মধ্যে সারা রাজ্যে প্রায় ১ কোটি ৬৯ লক্ষ তফসিলি জাতি, উপজাতি, ওবিসি সার্টিফিকেট দেওয়া হয়েছে। ২০১১ সালে তৃণমূল সরকার গঠিত হওয়ার পরে গত ১৫ বছরে ইস্যু হওয়া সব জাতিগত শংসাপত্র যাচাইয়ের সিদ্ধান্ত নেয় বিজেপি সরকার। এরই মধ্যে গত ১৪ মে রাজ্যের অনগ্রসর শ্রেণিকল্যাণ দপ্তরের সচিব সঞ্জয় বনসল সব জেলাশাসককে চিঠি দিয়ে অবিলম্বে এই যাচাই প্রক্রিয়া শুরু করার নির্দেশ দেন। তার স্পষ্ট বার্তা, এই কাজে কোনও শিথিলতা দেখা গেলে তার জন্য সংশ্লিষ্ট আধিকারিক দায়ী থাকবেন। তার জন্য প্রয়োজনীয় আইনানুগ পদক্ষেপ করা হবে। এ দিকে এত শংসাপত্রের পুনর্যাচাই নিয়ে প্রশ্ন তুলে আদালতে মামলা হয়। এ দিন সেই মামলাতেই ১৪ তারিখের বিজ্ঞপ্তিতে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দেওয়া হলো।
Ganamadhyam
19 August, 2026
ই-পেপার