দুই পৌরসভা, উত্তরপাড়া ও কোন্নগরের প্রধান, উপপ্রধান সহ কাউন্সিলরদের পদত্যাগ
তরুণ তাঁতি(হুগলি): পৌর প্রধানের পদ থেকে পদত্যাগ করলেন উত্তরপাড়া পৌরসভার পৌর প্রধান সহ আরো আট কাউন্সিলর। মুলত উত্তরপাড়া পৌরসভার ২৪টি ওয়ার্ডের মধ্যে তিনটি ওয়ার্ড সিপিএমের দখলে একটি ওয়ার্ড কংগ্রেস একটি ওয়ার্ড নির্দলের দখলে আছে এবং বাকি ১৯ টি ওয়ার্ড তৃণমূল দখল করে বোর্ড গঠন করেছিল। তবে আজ নটি ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ডলি যাদব, পুতুল ঘোষ,সারথী গোলদার, সুমিত চক্রবর্তী, সুব্রত মুখার্জ্জী, মিতালী বেজ, অদিতি কুন্ডু ও গোপাল মুখার্জ্জী এরা প্রত্যেকে দিলীপ যাদবের সঙ্গে পদত্যাগ করেন। তবে এখনো দশটি ওয়ার্ড তৃণমূলের দখলে রয়েছে। পাশাপাশি পদত্যাগ করলেন কোন্নগর পৌরসভার উপপ্রধান গৌতম দাস।
অন্যদিকে কোন্নগর পৌরসভার ২০ টি ওয়ার্ডের মধ্যে একটি সিপিএম দখল করে এবং বাকিটি ১৯ টি তৃণমূলের দখলে থাকে। গত শুক্রবার পৌর প্রধান সহ সাত জন কাউন্সিলর পদত্যাগ করলেও বাকি কাউন্সিলররা সোমবার মেইল মারফত তাদের পদত্যাগ পত্র শ্রীরামপুর মহকুমা শাসকের কাছে পাঠিয়ে দেন।
পদত্যাগ পত্র পাঠানোর পর কোন্নগর পৌরসভার উপ পৌর প্রধান গৌতম দাস বলেন, গত শুক্রবার পৌর প্রধান সহ বেশ কয়েকজন কাউন্সিলর পদত্যাগ করলেও সে বিষয়ে আমার জানা ছিল না। এরপর বাকি কয়েকজন কাউন্সিলর আমার সঙ্গে যোগাযোগ করলে অবশেষে এদিন আমি পদত্যাগ পত্র মেইল করে দিই। কারণ বেশ কিছুদিন যাবত কোনভাবে পৌরসভায় কাজ করা যাচ্ছিল না,এমনকি গত কয়েকদিন আগে বিজেপির কর্মী সমর্থকরা আমার বাড়ির উপর চড়াও হয়, বিক্ষোভ দেখাতে থাকে তাদের মূল অভিযোগ ছিল এলাকার রাস্তাঘাট থেকে নিকাশি ব্যবস্থা। তবে আমি বলতে পারি বিগত বছরগুলিতে রাস্তাঘাট থেকে নিকাশি ব্যবস্থা আবাস যোজনার বাড়ি থেকে সম্পূর্ণ সব কাজ চেয়ারম্যানের নির্দেশে হত, আমি শুধু নামেই উপ পৌরপ্রধান হিসেবে থেকেছি কোন রকম কাজের দায়িত্ব দেওয়া হতো না আমাকে। তাই বিজেপির কর্মী সমর্থকরা চেয়ারম্যানের বাড়িতে না গিয়ে আমার বাড়িতে এসে যে বিক্ষোভ দেখিয়েছে তা পূর্ব পরিকল্পিত। তবে সেই সময় আমি বাড়িতে ছিলাম না। অন্যদিকে আমি সাধারণ মানুষের ক্ষেত্রে কোনদিন রং দেখিনি। দলমত নির্বিশেষে সকল মানুষের কাজে লেগেছি তাই এখন পৌরসভার সকল কাউন্সিলররা যখন পদত্যাগ দিয়েছে তখন আমি একা কি করব। তাই আমি পদত্যাগ পত্র মেইলের মাধ্যমে মহকুমা শাসকের কাছে পাঠিয়েছি।