এক ঝলক
১৯৮৭ সালের ১ জুলাইয়ের আগে ভারতে জন্ম নেওয়া প্রত্যেকেই বৈধ নাগরিক ঃ জ্ঞানেশ কুমার চারটি পৃথক শহীদ দিবস, একুশে জুলাই নিয়ে দড়ি টানাটানি অব্যহত দলত্যাগীরা তৃনমূলে ফিরলে এক ঘন্টার মধ্যে ইস্তফা দেব ঃ অভিষেক সীমান্তে অমিত শাহ রামায়ণ’ নিয়ে বোমা ফাটালেন অন্নু কাপুর

দাবানলের ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন বিশ্বকাপ ফাইনালের ভেন্যু

ওয়াশিংটন : মাত্র দুদিন পরেই আর্জেন্টিনা-স্পেন ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনাল। অথচ এই মহারণের ভেন্যু নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়াম কাছ থেকে দেখেও ঝাপসা মনে হচ্ছে! কারণ কানাডায় সৃষ্ট দাবানাল এতটাই ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে যে, এর ধোঁয়া প্রতিবেশী দেশ যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক-নিউ জার্সি অঙ্গরাজ্যেরও ছড়িয়ে পড়েছে।
Ganamadhyam
18 July, 2026




নগর কর্তৃপক্ষ এরই মধ্যে পাঠাগার, থানা ও ফায়ার স্টেশনে কেএন৯৫ মাস্ক বিতরণ শুরু করেছে। বিশেষজ্ঞদের সতর্ক করে বলেছেন, এমন ধোঁয়ার মধ্যে বাতাসের মান খুব খারাপ পর্যায়ে চলে যায়। সেখানে টানা একদিন অবস্থান করা ১০টি সিগারেট ধূমপানের সমান। ফলে প্রশ্ন উঠেছে—ছাদহীন মেটলাইফ স্টেডিয়ামে নির্ধারিত সময়ে কি বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে? তবে আবহাওয়াবিদদের পূর্বাভাস কিছুটা স্বস্তি দিচ্ছে। তাদের মতে, শিগগিরই নিউ ইয়র্ক ও নিউ জার্সিতে বৃষ্টি হবে। ফলে আবহাওয়া শীতল হয়ে ধোঁয়ার ঘনত্ব উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে। বাংলাদেশ সময় রবিবার রাতে ফাইনাল শুরুর আগেই বাতাসের মান উন্নত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ কারণে এখন পর্যন্ত ম্যাচ স্থগিত বা ভেন্যু পরিবর্তনের কোনো ইঙ্গিত দেয়নি ফিফা। ৮২ হাজারেরও বেশি দর্শক মেটলাইফ স্টেডিয়ামে আর্জেন্টিনা-স্পেন বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখবেন। এছাড়া নিউ ইয়র্কের সেন্ট্রাল পার্কে বড় পর্দায় খেলা দেখতে আরো প্রায় ৫০ হাজার সমর্থকের জড়ো হওয়ার কথা। তাই বাতাসের মান নিয়ে উদ্বেগ এখনো পুরোপুরি কাটেনি। আবহাওয়ার পূর্বাভাস বিষয়ক পরিষেবা আকুওয়েদারের প্রধান আবহাওয়াবিদ অ্যালেক্স ডা সিলভা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেছেন, ‘রবিবার সকাল নাগাদ ধোঁয়ার বেশিরভাগই সরে যাওয়ার কথা। তখন বায়ুর মান অনেকটাই উন্নত হবে। তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, ধোঁয়া কমলেও তাপমাত্রা ও বায়ুদূষণের সম্মিলিত প্রভাব খেলোয়াড় ও দর্শকদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
ফুসফুস বিশেষজ্ঞ ডা. ভিন গুপ্তার ভাষায়, ‘তাপপ্রবাহ ও বায়ুদূষণ একসঙ্গে থাকলে তা খেলোয়াড়দের জন্য অতিরিক্ত চাপ তৈরি করবে। তাই ম্যাচে আরো বেশি সময় হাইড্রেশন বিরতি দেওয়া উচিত। আর যেসব দর্শক বয়স্ক বা হৃদ্রোগ ও ফুসফুসের সমস্যায় ভুগছেন, তাদের স্টেডিয়ামে না যাওয়াই ভালো।’
ই-পেপার