এক ঝলক
১৯৮৭ সালের ১ জুলাইয়ের আগে ভারতে জন্ম নেওয়া প্রত্যেকেই বৈধ নাগরিক ঃ জ্ঞানেশ কুমার চারটি পৃথক শহীদ দিবস, একুশে জুলাই নিয়ে দড়ি টানাটানি অব্যহত দলত্যাগীরা তৃনমূলে ফিরলে এক ঘন্টার মধ্যে ইস্তফা দেব ঃ অভিষেক সীমান্তে অমিত শাহ রামায়ণ’ নিয়ে বোমা ফাটালেন অন্নু কাপুর

দলত্যাগীরা তৃনমূলে ফিরলে এক ঘন্টার মধ্যে ইস্তফা দেব ঃ অভিষেক

নিজস্ব সংবাদদাতা : বিধানসভা ভোটের ফল ঘোষণার পর ভেঙে চুরমার তৃণমূল কংগ্রেস। দু'ভাগে ভাগ হয়ে একদিকে কালীঘাট তৃণমূল এবং অন্যদিকে ঋতব্রত তৃণমূলে চলে গিয়েছেন বিধায়করা।
Ganamadhyam
19 July, 2026

আর শিবির বদলের পরেই তারা ভুরিভুরি অভিযোগ এনেছেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক ব্যানার্জির বিরুদ্ধে। তবে এবার বিদ্রোহী বিধায়কদের একহাত নিলেন অভিষেক।সঙ্গে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে তিনি জানালেন, তাকে নিয়ে যদি কোনও সমস্যা থাকে তাহলে বিদ্রোহী শিবিরের বিধায়করা মমতার তৃণমূলে ফিরলে তিনি ইস্তফা দেবেন। অভিষেক বলেন, এটা একটা সাজানো স্ক্রিপ্ট। ওদের বলা হচ্ছে, অভিষেক ব্যানার্জিকে গালাগালি দাও, তাহলে পুলিশও কিছু করবে না। ইডি-সিবিআইও ধরবে না। যদি আপনি অভিষেক ব্যানার্জিকে চারটে গালি দেন, তাহলে আপনি নিরাপদ থাকবেন। আর যদি তা না করেন, তাহলে রেহাই পাবেন না। যারা ৪ তারিখের পরে দল ছেড়েছেন, তারা চাইলে ৪ তারিখের আগেও যেতে পারতেন। আমি তো তখনও দলে ছিলাম। তার কথায়, আমি চ্যালেঞ্জ করছি। আপনারা ফিরে আসুন, মমতা ব্যানার্জির কাছে ফিরে আসুন। আমি প্রকাশ্যে বলছি, আপনারা ফিরে এলে এক ঘণ্টার মধ্যে ইস্তফা দিয়ে দেব।
আপনারা তো বলছেন, অভিষেক ব্যানার্জির জন্যই সবাই দল ছাড়ছে। তাহলে ফিরে আসুন। বিকেল ৩টেয় আসুন, আমি ৪টের মধ্যে পদত্যাগপত্র দিয়ে দেব।অভিষেক যোগ করেন, আমি শুধু এটুকুই বলছি, যাদের সত্যিই আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে, তারা যদি মনে করেন দলের খারাপ ফলের জন্য আমি দায়ী, তাহলে ২০২৪ সালে তৃণমূল কংগ্রেস যে ২৯টি আসনে জিতেছে, সেই সাফল্যের কৃতিত্বও আমার প্রাপ্য। হারের সময় যদি দায় আমার হয়, তাহলে জয়ের সময় কৃতিত্বও আমার হওয়া উচিত। আর যাদের আমাকে নিয়ে এত সমস্যা, তাদের বলব, মানুষ বোকা নয়।‌ তৃণমূল সাংসদ হুঙ্কার দেন, আজ ১৮ তারিখ, আপনারা ১৯ তারিখ আসুন, ২০ তারিখ আসুন, ২১ তারিখ আসুন, যেদিন খুশি আসুন। ফিরে আসুন। আমি এক ঘণ্টার মধ্যে পদত্যাগ করে দেব। কেউ ফিরবেন না। কারণ আসল বিষয়টা অন্য। চুক্তি হচ্ছে, ওদিকে যাও, অভিষেক ব্যানার্জিকে গালাগালি দাও, তাহলেই বাঁচিয়ে রাখা হবে। ইডিও ধরবে না, সিবিআইও ধরবে না। আজ যাদের বিরুদ্ধে অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে, তাদের কেউ পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার, আর কেউ বিজেপির আশ্রয়ে গিয়ে নিরাপদে রয়েছেন।
ই-পেপার