তিনি বলেন, ৩০ আগস্টের মধ্যে যারা যোগ্য, তাদের নাম নথিভুক্ত হয়ে যাবে। তারা পেয়ে যাবেন। জুন- জুলাই মাসে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা বহু মহিলাদের অ্যাকাউন্টে ঢুকে গিয়েছে। তবে যারা এখনও টাকা পাননি, অথচ যোগ্য, তারাও টাকা পেয়ে যাবেন বলে আশ্বাস দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘অন্নপূর্ণা যোজনা অনেকে পেয়েছেন। অনেকের আবেদন আন্ডার ভেরিফিকেশনে রয়েছে। ৩০ অগস্ট এর মধ্যে যোগ্য মহিলারা অন্নপূর্ণা যোজনায় নথিভুক্ত হয়ে যাবেন। যারা পাওয়ার যোগ্য স্বচ্ছতার ভিত্তিতে তারা পেয়ে যাবেন। রাজ্যে মসনদে এসে সবার আগে যে কাজগুলি বিজেপি সরকার করেছিল, তার মধ্যে অন্যতম অন্নপূর্ণা যোজনা। এই প্রকল্পে যোগ্য মহিলাদের মাসে ৩০০০ টাকা করে দেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যেই ফর্ম ফিলআপ করে অনেকেই আবেদন করেছেন। অনেকে পেয়েও গিয়েছেন। কিন্তু এখনও অনেকের উপভোক্তা তালিকায় নাম ওঠেনি। তাদের জন্য আশার কথা শুনিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। পিএম কিষাণ-এর অর্থ বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী জানান, কেন্দ্রের সঙ্গে রাজ্যও টাকা দিচ্ছে। কৃষক বন্ধুর ভেরিফিকেশন শেষ হলে চাষের জমি থাকলেই ৪ হাজার টাকা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তার উপরের সিলিংয়ের জন্য একটি সিস্টেম করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। পরিযায়ী শ্রমিকদের ধীরে ধীরে রাজ্যে ফিরে আসার ডাক দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। উত্তরবঙ্গে আমূলকে ১৫ একর জমি দেওয়া এবং ২-৩ মাসের মধ্যে ১০-১২টি বন্ধ চা বাগান খোলার আশ্বাসও দিয়েছেন তিনি। সিকিমে টানেল দুর্ঘটনায় মৃত উত্তরবঙ্গের বাসিন্দাদের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে জলপাইগুড়ি গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী পরিযায়ী শ্রমিকদের ধীরে ধীরে রাজ্যে ফিরে আসার ডাক দেন। তিনি জানান, রাজ্যে কাজের ব্যবস্থা করবে বিজেপি সরকার এবং সবাইকে জব কার্ড করে ফেলার পরামর্শ দিয়ে ১২৫ দিন কাজ দেওয়ার আশ্বাস দেন। দক্ষিণবঙ্গের মতো উত্তরবঙ্গেও আমূলকে জায়গা দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, উত্তরবঙ্গে আমূলকে ১৫ একর জায়গা দেওয়া হচ্ছে এবং শিল্প দপ্তর ইতিমধ্যেই সেই জায়গা চিহ্নিত করে ফেলেছে। উত্তরবঙ্গ সফর দিয়ে পরিযায়ী শ্রমিকদের ফের রাজ্যে ফিরে আসার ডাক দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সিকিমে টানেল দুর্ঘটনায় মৃত রাজ্যের বাসিন্দাদের সকলেই উত্তরবঙ্গের বাসিন্দা। ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলির পাশে দাঁড়াতে সোমবার জলপাইগুড়ি গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানেই তিনি বলেন, ‘উন্নয়নের অমৃতকাল চলছে। পরিযায়ী শ্রমিকেরা ফিরতে শুরু করুন ধীরে ধীরে। রাজ্যে কাজের ব্যবস্থা করবে বিজেপি সরকার, আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীর। তিনি বলেন, ‘সবাই জব কার্ড করে ফেলুন। ১২৫ দিন কাজ দেবো।’ এ ছাড়াও, উত্তরবঙ্গকে শিল্পে উন্নত করার জন্য একাধিক পদক্ষেপ করা হচ্ছে। দক্ষিণবঙ্গের মতো আমূলকে উত্তরবঙ্গেও জায়গা দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘উত্তরবঙ্গে ১৫ একর জায়গা দেওয়া হচ্ছে আমূল-কে। শিল্প দপ্তর জায়গা চিহ্নিত করে ফেলেছে।’ উত্তরবঙ্গের অন্যতম বড় শ্রমনির্ভর শিল্প হচ্ছে চা বাগান শিল্প। সেখানেও নজর দিয়েছে রাজ্য। একাধিক চা বাগান বন্ধ হয়ে গিয়েছে, সেখানকার শ্রমিকেরা ভিনরাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে চলে গিয়েছেন। সেই প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা, আর যেতে হবে না। প্রধানমন্ত্রী চা শ্রমিক যোজনায় ঢুকে গিয়েছি। ৩৩০ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। আর্থিক সাহায্য পাবেন। এখন রাজ্যে ২৫টি বাগান বন্ধ রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, শ্রমমন্ত্রী অর্জুন সিং এবং টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ব্যবস্থা নিয়েছেন। আশা করছি, ২-৩ মাসের মধ্যে ১০-১২টি চা বাগান খুলে দেওয়া যেতে পারে।