এক ঝলক
মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পার্ক স্ট্রিটের সেই ফুটপাতবাসী, পেলেন আশ্রয় যাদবপুর ক্যাম্পাসে শান্তি ফেরাতে আবেদন উচ্চশিক্ষামন্ত্রীর ২০ জন এনসিপিআই সাংসদকে নোটিশ সুপ্রিম কোর্টের এসআইআরে নাম বাদ মানে নাগরিকত্ব বাদ যাওয়া নয় : সুপ্রিম কোর্ট সেলের সমন্বয়ে নরাকাস (উপক্রম-২), কলকাতার অর্ধবার্ষিক বৈঠক সম্পন্ন

পাণ্ডবেশ্বরে রেলগেট বন্ধের প্রতিবাদে বিক্ষোভ, বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

সার্থক কুমার দে (দুর্গাপুর) : পাণ্ডবেশ্বরের ডালুরবাঁধ রেলগেট বন্ধের প্রতিবাদে চেম্বার অফ কমার্সের সাথে জোটবদ্ধ হয়ে পথে নামলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। মঙ্গলবার রেলগেট বন্ধের প্রতিবাদে ধর্না, বিক্ষোভ ঘিরে উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয় পাণ্ডবেশ্বর থানার পুলিশ এবং সিআরপিএফ জওয়ানরা। উল্লেখ্য, জাতীয় সড়কের পাণ্ডবেশ্বর ফুলবাগান সংলগ্ন ডালুরবাঁধ মোড়ে রাস্তার মাঝ বরাবর রয়েছে কয়লা পরিবহনের জন্য একটি রেলপথ। যানজট এড়াতে কয়েক বছর আগে বিডিও অফিস মোড় থেকে এরিয়া অফিস মোড় পর্যন্ত ফ্লাইওভার তৈরি হয়েছে। স্থানীয় মানুষজন নিত্য প্রয়োজনে এখনো রেল ক্রসিং ধরে সার্ভিস রোড দিয়ে যাতায়াত করেন। সম্প্রতি সেই রেল গেট চিরতরে বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ। নোটিশ দিয়ে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে আগামী ২৫ শে আগস্ট থেকে রেল গেটটি চিরতরে বন্ধ করে দেওয়া হবে। মানুষকে ফ্লাইওভার ব্যবহার করার নির্দেশ জারি করেছে রেল কর্তৃপক্ষ। গেটটি বন্ধ করলে চরম অসুবিধার সম্মুখীন হতে হবে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। রেলগেট বন্ধ না করার দাবি জানিয়ে ইতিমধ্যে আন্দোলনে নেমেছে চেম্বার অব কমার্স ও স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ। গেটের সামনে ঝর্না মঞ্চ করে ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে আন্দোলন।মঙ্গলবার ধর্না মঞ্চে ব্যাপক ভিড় হয়। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সেখানে মোতাইন করা হয় পাণ্ডবেশ্বর থানার পুলিশের পাশাপাশি রেল পুলিশ ও সিআরপিএফ জাওয়ানদের।
Ganamadhyam
26 August, 2026
মঙ্গলবার সেই ধর্না মঞ্চে হাজির হন পাণ্ডবেশ্বরের বিজেপি বিধায়ক জিতেন্দ্র তিওয়ারি। তার দাবি, দুর্গাপুজো পর্যন্ত কোনও ভাবেই এই রেলগেট বন্ধ করা যাবে না। ইতিমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে রেল কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে বলে জানান তিনি। বিষয়টি নিয়ে শীঘ্রই স্থানীয় বাসিন্দা এবং পাণ্ডবেশ্বর চেম্বার অব কমার্সের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনায় বসে স্থায়ী সমাধানের পথ খোঁজা হবে বলেও জানান তিনি। তার হুঁশিয়ারি, আলোচনা সত্ত্বেও রেলগেট বন্ধের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার না হলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামা হবে।বিক্ষোভকারীদের দাবি, রেলগেটটি বন্ধ হলে পাণ্ডবেশ্বর কার্যত দু’ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়বে। সমস্যায় পড়বেন এলাকার হাজার হাজার মানুষ। ব্যবসা-বাণিজ্যের পাশাপাশি দৈনন্দিন সরকারি পরিষেবা পেতেও সাধারণ মানুষকে দীর্ঘ পথ ঘুরে যেতে হবে বলে আশঙ্কা তাদের। স্থানীয়দের আরও দাবি, রেলগেটের একদিকে রয়েছে বিডিও অফিস, ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতর এবং নতুন নির্মিত পাণ্ডবেশ্বর থানার মতো গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রতিষ্ঠান। পাণ্ডবেশ্বর গ্রাম ও আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের এই প্রতিষ্ঠানগুলিতে যেতে হলে রেলগেট পার হতে হয়। ফলে রেলগেট বন্ধের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার না হলে আগামী দিনে আন্দোলন আরও তীব্র হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা।
ই-পেপার