এক ঝলক
হানিট্র্যাপ'-এ অপহরণের ছক হামিম ও অর্পিতার শিলিগুড়িকে আধুনিক স্মার্ট শহর‘হিমালয়ান সিট' রূপায়নে অগ্নিমিত্র পাল দুর্নীতিবাজরা আমাদের দলের নেতাদের কাছে আসার চেষ্টা করছে ঃ দিলীপ অতিবৃষ্টিতে মাটির বাড়িতে ধস, চাপা পড়ে বৃদ্ধার মৃত্যু প্রকল্পের বোর্ড উঠল, রাস্তা হলো না, হতাশ‌ তেওটের গ্রামবাসী

ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা তুলে ধরলেন রাম কাপুর

মুম্বইঃ ‘লক আপ সিজন ২’ সম্প্রচারের পর কেটে গিয়েছে অনেকগুলো দিন। জেলের ভিতর প্রতিনিয়ত কিছু না কিছু ঘটেই চলেছে। কখনও প্রতিযোগীদের মধ্যে মনোমালিন্য তো কখনও আবার সুখে-দুঃখে পরস্পরের পাশে থাকছেন।
Ganamadhyam
03 August, 2026


রিয়ালিটি শোয়ে স্বইচ্ছেতেই ব্যক্তিগতজীবনের অনেক অজানা গল্প শেয়ার করছেন প্রতিযোগীরা। সম্প্রতি যৌন হেনস্তা নিয়ে মুখ খুলেছিলেন শ্রেয়া কালরা থেকে শিবাঙ্গী যোশী, রাম কাপুর-সহ আরও অনেকে। এবার জীবনের এক চরম সত্য নিজেই ফাঁস করলেন অভিনেতা। চিকিৎসক তাঁকে মাত্র ছ’মাস সময় দিয়েছিলেন।
মৃত্যুর মুখ থেকে কীভাবে ফিরেছিলেন ‘বড়ে আচ্ছে লাগতে হ্যায়’ খ্যাত অভিনেতা?এই ধারাবাহিকের শুটিংয়ের সময় স্থূলতার সঙ্গে লড়াই করছিলেন রাম কাপুর। শারীরিক অবস্থা মারাত্মক খারাপ হয়ে গিয়েছিল। সেই সঙ্গে বিষণ্ণতা গ্রাস করেছিল অভিনেতাকে। সেসময় চিকিৎসক তাঁকে সতর্ক করে বলেছিলেন, জীবনযাত্রার পদ্ধতিতে পরিবর্তন না আনলে ছ’মাসের মধ্যেই মৃত্যু অনিবার্য। জীবনের এই গোপন তথ্য আগে কখনও শেয়ার করেননি। ‘লক আপ সিজন ২’-এ সেই ভয়ংকর স্মৃতিচারণ করে বলেন, “একটা কথা আমি সকলের থেকে লুকিয়ে রেখেছিলাম। এমনকি আমার স্ত্রী আর সন্তানরাও জানে না। বড়ে আচ্ছে লাগতে হ্যায়-এর সময় অবসাদ আমাকে সম্পূর্ণ গ্রাস করেছিল। ওজনের জন্য আমি এত ভালোবাসা পেয়েছিলাম, এত আলোচনা হয়েছিল যে এক সময় আমি টেলিভিশনের সর্বোচ্চ রেটিং পাওয়া তারকাদের একজন হয়ে উঠেছিলাম।”তবুও কেন অবসাদে ভুগছিলেন অভিনেতা?
জনপ্রিয়তার মাঝেই দ্রুতহারে ওজন বাড়তে থাকে। সেই দিনের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, “চিকিৎসক বলেছিলেন, আমি এতটাই অসুস্থ হয়ে পড়েছি যে মাত্র ছয় মাসের মধ্যেই মৃত্যুর মুখোমুখি হব। আমার স্ট্রোক হওয়ার সম্ভবনা ছিল। কারণ আমাকে দিনে তিনবার ইনসুলিন নিতে হত। রক্তে শর্করার মাত্রা চারশো থেকে ছ’শো-এর মধ্যে থাকত অথচ আমি প্রতিদিন চোদ্দ ঘণ্টা কাজ করতাম। নিজের জন্য কিছুই করতে চাইনি, কারণ তখন আমি প্রচুর ভালোবাসা পাচ্ছিলাম এবং অনেক অর্থ উপার্জন করছিলাম। এত কিছু ছেড়ে কীভাবে চলে যাই?” জীবনে পরিবর্তনের কারণ হিসেবে সন্তানদের কথা উল্লেখ করে রাম বলেন, “যদি আমার সন্তান না থাকত, তাহলে হয়তো নিজেকে বদলানোর কথা ভাবতাম না। একমাত্র এই ভাবনাই আমাকে বাঁচিয়ে রেখেছিল। এটাই একমাত্র কারণ যে আমি আজও বেঁচে আছি। সেই ঘটনার দশ বছরেরও বেশি সময় অতিক্রান্ত আর আজ আমি একজন মানুষ হিসেবে খুবই সুখী। গৌতমী এবং আমার সন্তানরাও এই কথাগুলো প্রথমবার শুনছে।
ই-পেপার