সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া ‘উই নিড টু অ্যাপোলজাইজ টু হৃতিক রোশন’ ট্রেন্ড নিয়ে মুখ খুলেছেন অভিনেতা। অতঃপর আসরে নেমেছেন বলিউডের ‘ক্যুইন’। একের পর এক তীক্ষ্ণ বাক্যাবণ! আগুনে ঘি ঢেলে পরস্থিতি উত্তপ্ত না করার হুঁশিয়ারি কঙ্গনার। সঙ্গী সাবা আজাদকে নিয়ে সুখী থাকার পরামর্শ ‘প্রাক্তন’ কঙ্গনা রানাউতের। কেন আচমকা সমাজমাধ্যমে এই ট্রেন্ড ভাইরাল? আর কেনই বা সেই ট্রেন্ড ঘিরে হৃত্বিক-কঙ্গনার কাদা ছোড়ছুড়ি? নিট কেলেঙ্কারি ইস্যুতে কঙ্গনার ‘বিতর্কিত’ মন্তব্যে রুষ্ট যুবসমাজ। নারীদের অবমাননা থেকে তরুণ সমাজকে ‘আবর্জনা’ বলেও কটাক্ষ করেছেন কঙ্গনা। অভিনেত্রী হিসেবে প্রশংসিত হলেও রাজনীতিক কঙ্গনা অনেকেরই বিরাগভাজন। এমতাবস্থায় নেটভুবনের অনুমান, হৃত্বিকের সঙ্গে কঙ্গনার চর্চিত প্রেমকাহিনিতে বলিউডের ‘গ্রীক গড’ সম্পূর্ণ নির্দোষ ছিলেন। তাই আন্দোলনের আবহে হৃত্বিকের জন্যও ন্যায়বিচারের দাবিতে সরব সমাজমাধ্যম। সম্প্রতি ইনফ্লুয়েন্সার ফ্রেডি বার্ডি ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্ট শেয়ার করেন। যেখানে তিনি সকলকে হৃত্বিকের কাছে ক্ষমা চাওয়ার আর্জি জানান। সংশ্লিষ্ট পোস্টে হৃত্বিকের ইঙ্গতপূর্ণ মন্তব্য, ‘ভাই আমার, শুধুমাত্র ‘বি'-কে এখন আর পছন্দ করো না বলে ‘এ’-র পক্ষ নেওয়া আমাদের সমাজের এক বড় ব্যাধির অংশ। আমি সেই দিনের অপেক্ষা করব যখন সঠিক তথ্য ও সত্যের ওপর ভিত্তি করে কথা বলা হবে।’ সোশালপাড়ার সদস্যদের ধারণা ‘বি’ বলতে এখানে কঙ্গনাকেই পরোক্ষভাবে ইঙ্গিত করেছেন হৃতিক। এরপরই সোজাসুজি হৃত্বিককে বিঁধলেন কঙ্গনা। ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে হৃতিকের নাম উল্লেখ করে এক দীর্ঘ পোস্ট শেয়ার করেন অভিনেত্রী-সাংসদ। প্রিয় হৃত্বিক সম্বোধন করে কঙ্কনার বার্তা, ‘আমি সত্যিই খুব খুশি যে তুমি তোমার উপযুক্ত সঙ্গী সাবা আজাদকে খুঁজে পেয়েছ। তোমাদের দুজনকে দারুণ মানিয়েছে। একটা বিশ্বাসযোগ্য সম্পর্কে রয়েছ। তার মাঝে কোনও মহিলাকে খোঁচা দেওয়া মোটেই সমীচীন নয়। আগুনে ঘি ঢেলে নিজের সঙ্গীকে লজ্জিত করো না। বরং তোমার নাম ভাঙিয়ে যারা আমাকে সোশাল মিডিয়ায় হেনস্তা করছে তাঁদের বিরুদ্ধে সরব হওয়া উচিত।’