মুখ্যমন্ত্রীর মালদা সফরের রাতেই শহরে ব্যানার ছেঁড়ার অভিযোগ, ক্ষুব্ধ বিজেপি
বিশ্বজিত সাহা (মালদহ): মুখ্যমন্ত্রীর মালদা সফরের রাতেই শহরের বিভিন্ন এলাকায় শারদীয়ার শুভেচ্ছা জানিয়ে লাগানো ব্যানার ছেঁড়ার অভিযোগ উঠল। প্রশাসনের তরফে লাগানো ওই ব্যানারগুলিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ছবি ছিল বলে জানা গিয়েছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার বিজ্ঞাপনের ব্যানারও নষ্ট করা হয়েছে বলে অভিযোগ। শুক্রবার রাতে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মালদা শহরে চাঞ্চল্য ছড়ায়। ঘটনার পিছনে কারা রয়েছে, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।দুর্গাপুজোর আগে মালদা শহরজুড়ে যখন উৎসবের প্রস্তুতি চলছে, তখন রাতের অন্ধকারে একাধিক ব্যানার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার অভিযোগ সামনে আসায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের ছবি থাকা ব্যানারের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থার বিজ্ঞাপনের ব্যানারও নষ্ট হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ফলে ঘটনাটি শুধুমাত্র রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, নাকি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে। তবে কে বা কারা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত, তা এখনও স্পষ্ট নয়।ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শহরবাসীর একাংশ। তাদের বক্তব্য, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতেই পারে। কিন্তু তার জেরে সরকারি প্রচারসামগ্রী কিংবা বেসরকারি সংস্থার বিজ্ঞাপনের ব্যানার নষ্ট করা কোনওভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়। বিশেষ করে দুর্গাপুজোর মতো বড় উৎসবের আগে শহরের বিভিন্ন এলাকায় এই ধরনের ঘটনা শহরের সৌন্দর্য ও উৎসবের পরিবেশকে প্রভাবিত করতে পারে বলে মনে করছেন তারা।এদিকে, ব্যানার ছেঁড়ার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিজেপির দক্ষিণ মালদা সাংগঠনিক জেলার সভাপতি অজয় গাঙ্গুলি। তিনি ঘটনার পূর্ণাঙ্গ পুলিশি তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। তাঁর দাবি, ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের চিহ্নিত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। পাশাপাশি, শহরের বিভিন্ন এলাকায় লাগানো ব্যানার ও বিজ্ঞাপনের সামগ্রী নষ্ট করার ঘটনায় প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানোরও দাবি উঠেছে।মুখ্যমন্ত্রীর সফরের রাতেই এই ঘটনা সামনে আসায় রাজনৈতিক মহলেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত ব্যানার ছেঁড়ার ঘটনায় কারও জড়িত থাকার প্রমাণ সামনে আসেনি। পুলিশে অভিযোগ দায়ের হয়েছে কি না, কিংবা তদন্ত শুরু হয়েছে কি না, সে বিষয়েও বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি।