এই আবহেই ফের আলোচনার জন্য ককরোচদের কাছে প্রস্তাব পাঠাল কেন্দ্র। তবে সেই প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ-সহ পরীক্ষা ব্যবস্থার আমূল সংস্কার এবং পরীক্ষার্থীদের সুবিচারের দাবিতে নিজেদের অবস্থানে অনড় থেকে আন্দোলনের ঝাঁঝ আরও বাড়ানোর কথা জানিয়েছে তারা। আজ শুক্রবার দেশজুড়ে বৃহত্তর বিক্ষোভ আন্দোলনের ডাক দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং বৃহস্পতিবার জানান, যে কোনও সময়ে তারা আলোচনায় বসতে প্রস্তুত। কেন্দ্রের প্রতিনিধি হিসেবে সেখানে জিতেন্দ্র ছাড়াও থাকবেন আর এক মন্ত্রী জেপি নাড্ডা। নাড্ডার বাড়ি বা অফিসে আলোচনা হতে পারে। কথা বলে সমস্যার সমাধানের আর্জি জানিয়েছেন মন্ত্রী। কিন্তু সিজেপি এই আমন্ত্রণ খারিজ করে দিয়েছে বলে খবর। তারা নিরপেক্ষ স্থানে আলোচনা চায়।নিট কাণ্ডে কয়েক সপ্তাহ ধরেই দিল্লির যন্তরে মন্তরে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে ককরোচ জনতা পার্টি। গত সোমবার তারা সংসদ অভিযানের ডাক দেয়। সেই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়ে ওঠে রাজধানী। তার মধ্যেই সেদিন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জে পি নাড্ডার সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন সিজেপির প্রতিনিধিরা। সমস্যার সমাধানে আরও একবার আলোচনার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছে নরেন্দ্র মোদীর সরকার। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর জিতেন্দ্র সিং জানিয়েছেন, এই নিয়ে বুধবার বিকেল থেকে মোট চার বার বিক্ষোভকারীদের প্রতিনিধিদের আলোচনার জন্য ডাকা হল। সরকার পড়ুয়াদের হিতাকাঙ্ক্ষী এবং তাদের দাবি গুলি গুরুত্ব দিয়ে দেখছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, সরকার চার বার আনুষ্ঠানিক ভাবে বিক্ষোভকারীদের আলোচনায় বসার প্রস্তাব দিয়েছে। তরুণ সমাজের কাছে আমাদের বার্তা, সমস্ত বিষয় নিয়ে সরকার আপনাদের সুবিধামতো যে কোনও সময়ে আলোচনায় বসতে প্রস্তুত। আমি আপনাদের সকলকে বিনীত ভাবে অনুরোধ করছি, আসুন, আলোচনায় বসুন। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নড্ডার বাড়ি বা অফিসে বৈঠক হতে পারে। নাড্ডা এবং আমি সেখানে থাকব। আলোচনার মাধ্যমে ধীরে ধীরে আমরা একটা সমাধানের দিকে এগোব। ছাত্রছাত্রীদের কল্যাণের জন্য সরকার ধারাবাহিক পদক্ষেপ করছে বলে জানান জিতেন্দ্র। এই আলোচনায় আহ্বানও তার একটি অঙ্গ। সরকার বার বার ডাকলেও নড্ডার বাড়ি বা দফতরে আলোচনায় রাজি নয় সিজেপি। জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার নাড্ডার আমন্ত্রণপত্র যন্তর মন্তরের বিক্ষোভস্থলে পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু বিক্ষোভকারীরা তা নাকচ করে দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার সকালে প্রশ্নফাঁস নিয়ে মুখ খোলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। জানান, প্রশ্নফাঁসে অভিযুক্তদের দ্রুত বিচার এবং শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য ফাস্ট ট্র্যাক আদালত তৈরি করা হবে। কিন্তু সিজেপি'র প্রতিবাদ আন্দোলন চলছে। কেন্দ্রের প্রতিনিধিদের যন্তর মন্তরে বা কোনও নিরপেক্ষ স্থানে আলোচনায় বসার ডাক দিয়েছেন ককরোচ পার্টির প্রধান অভিজিৎ দীপকে। জিতেন্দ্রের প্রস্তাব মতো নড্ডার বাড়ি বা অফিসে বৈঠকে বসতে তারা নারাজ।