এক ঝলক
অনুপ্রবেশকারীদের সঙ্গে প্যাকেজ চুক্তি করতো বনগাঁর সাহাবুদ্দিন দেশের যুবসমাজের ভবিষ্যৎ নষ্টের চেষ্টা করলে রেয়াত করা হবে না‌ ঃ‌ প্রধানমন্ত্রী মুর্শিদাবাদের রেলগেট দুর্ঘটনায় মৃতদের পরিবারের পাশে মুখ্যমন্ত্রী নিট-কাণ্ডের বিক্ষোভে উত্তপ্ত সংসদ চত্বর আলোচনায় নারাজ সিজেপি, ফের আলোচনার প্রস্তাব কেন্দ্রের

নেহার বিয়ে বাড়িতে গান গাওয়া নিয়ে পুরনো বিতর্ক টানলেন অভিজিত

মুম্বইঃ নেহা কক্কড়ের সঙ্গে পুরনো বিতর্ক নিয়ে আবার মুখ খুললেন অভিজিৎ ভট্টাচার্য। দু’বছর আগে ‘সুপারস্টার সিঙ্গার ৩’ অনুষ্ঠানে বিয়েবাড়িতে গান গাওয়া নিয়ে দু’জনের মধ্যে মতবিরোধ হয়েছিল।
Ganamadhyam
24 July, 2026



 সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সেই প্রসঙ্গেই ফের কথা বলেন অভিজিৎ। নেহার ১ কোটি টাকা পারিশ্রমিক নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। পাশাপাশি, কয়েকজন গায়ক এবং তাঁদের দলের অতিরিক্ত চাহিদার সমালোচনা করেন। কেন তিনি কোনও দিন বিয়েবাড়িতে গান করেননি, সেটাও জানান। যদিও নেহার নাম না করেই কথা বলেন অভিজিৎ। গায়ক বলেন, “আমি ওঁর নাম নিয়ে ওঁকে প্রচার দিতে চাই না। তিনি খুব ভাল গায়িকা। কিন্তু এখন তিনি কোথায়? ‘আমি ১ কোটি টাকা নিই’, তিনি বলেছিলেন। আসলে এ সব বাজারে নিজের দাম বাড়ানোর কৌশল। আমি কী করে বলব, আমি ৫ কোটি, ১০ কোটি বা ৫০ লক্ষ টাকা নিই? আমি এ ভাবে কাজ করি না।”
নেহার নাম না করেই অভিজিৎ জানান, খুব অল্প সময়ের মধ্যে খ্যাতি পেয়েছিলেন গায়িকা। তাঁর কথায়, “তিনি তখন একেবারে তরুণী ছিলেন। হঠাৎ করেই অনেক বড় হয়ে গেলেন। এ ভাবে হয় না। নিজের প্রচার করো, ঠিক আছে। তবে এ ভাবে নয়।” অভিজিতের দাবি, রাতারাতি জনপ্রিয় হওয়া কিছু গায়কের নানা দাবিদাওয়ার জন্য সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েন অনুষ্ঠানের আয়োজকেরা। তবে এই প্রসঙ্গে তিনি শ্রেয়া ঘোষালের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, আয়োজকেরাই আসল ভুক্তভোগী। তাঁদের সর্বনাশ হয়ে যায়। আমি কারও নাম বলছি না। কিন্তু যাঁরা রাতারাতি বিখ্যাত হয়েছেন, তাঁদের শ্রেয়ার থেকে শেখা উচিত। কেউ এক-দু’টি বা দশটি গান গেয়ে জনপ্রিয় হয়েছেন। এখন আর তাঁদের দেখা যায় না। অথচ আয়োজকদের অনেক সমস্যায় ফেলেছেন।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে ‘সুপারস্টার সিঙ্গার ৩’-এর একটি পর্বে এক প্রতিযোগীকে পরামর্শ দিতে গিয়ে অভিজিৎ বলেছিলেন যে, বিয়ে বাড়িতে গান গেয়ে একজন শিল্পীর নিজের শিল্পকে বিক্রি করা উচিত নয়। তাঁর মতে, শিল্পীর মর্যাদা টাকার বিনিময়ে মাপা যায় না। তবে অভিজিতের এই মন্তব্যের সঙ্গে একমত ছিলেন না নেহা কক্কড়। অনুষ্ঠানে তিনি স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, বিয়ে বাড়িতে গান গাওয়ায় কোনও অসম্মান নেই। যদি কোনও পরিবার ভালবাসা ও সম্মান দিয়ে আমন্ত্রণ জানায়, তা হলে সেখানে অনুষ্ঠান করায় আপত্তির কিছু দেখেন না তিনি। নেহার কথায়, কোনও কাজই ছোট নয়। একজন শিল্পী তাঁর প্রতিভা দিয়ে মানুষের আনন্দের অংশ হয়ে উঠলে, তাতে লজ্জার কিছু নেই।
ই-পেপার