নিজস্ব প্রতিবেদক: বিশ্বসেরা স্পেন, রবিবার এক টানটান উত্তেজনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ ফাইনালে অতিরিক্ত সময়ে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে স্পেন ফুটবলের শিরোপা পুনরুদ্ধার করেছে আবার। মাঠ ও মাঠের বাইরে চরম উত্তেজনা পূর্ণ এই ম্যাচে তোরেসের জয়সূচক গোলটিই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়। এর ফলে স্পেন তাদের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জয়ের গৌরব অর্জন করে। যদিও এই পরাজয়টি লিওনেল মেসির জন্য ছিল বিশেষ বেদনাদায়ক।নিজের সম্ভাব্য শেষ বিশ্বকাপ আসরে রানার্স-আপ পদক গ্রহণের পর তিনি অশ্রুসজল চোখে মাঠ ছাড়েন। যদিও স্পেনের মাঠ দখলের লড়াইয়ে এগিয়ে থাকা এবং আর্জেন্টিনার কোনো কৌশলই কাজে লাগে না। স্পেন প্রথম থেকেই আক্রমণাত্মক গতি ও মাঝ মাঠে চক্র ব্যূহ গঠনের কৌশল ও শক্তপোক্ত ডিফেন্সকে ভেদ করে আর্জেন্টিনা যতবার লক্ষ্যে যেতে চেয়েছে, সাফল্য পায়নি। গোল মুখি কোনো সটই তেমন আহামরি ছিলো নি। স্পেনের সংঘবদ্ধ লড়াইকে কুর্নিশ করতেই হবে।
পদক ও ট্রফি প্রদান অনুষ্ঠানে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর সঙ্গে যোগ দেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, পাশাপাশি যৌথ আয়োজক দেশ কানাডা ও মেক্সিকোর নেতারাও ফাইনালে উপস্থিত ছিলেন। ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালে বদলি খেলোয়াড় ফেরান তোরেস স্পেনের জয়ের নায়ক হয়ে ওঠেন, অতিরিক্ত সময়ে তার করা একমাত্র গোলটি ১০ জনের আর্জেন্টিনাকে ১-০ ব্যবধানে পরাজিত করতে সহায়তা করে।
ম্যাচজুড়ে অসংখ্যবার গোল বাঁচানো আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজকে পরাস্ত করতে অবশেষে সফল হন তোরেস, ১০৬তম মিনিটে তিনি খুব কাছ থেকে এক জোরালো শটে গোলটি করেন।
এর ফলে টানা দ্বিতীয়বার শিরোপা জয়ের স্বপ্নভঙ্গ হয় লিওনেল মেসি ও তার আর্জেন্টিনা দলের—পাশাপাশি ৩৯ বছর বয়সী মেসি 'গোল্ডেন বুট' জয়ের লড়াইয়ে কিলিয়ান এমবাপ্পেকে টপকাতেও ব্যর্থ হন—আর স্পেন ২০১০ সালের পর তাদের দ্বিতীয় ফিফা বিশ্বকাপ জয়ের কৃতিত্ব অর্জন করে।