সভায় শুভঙ্কর সরকার বলেন, বলতে কোনও দ্বিধা নেই, ১৯৯৩ সালের ২১ জুলাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। কংগ্রেসের নেতৃবৃন্দও ছিলেন। সেদিন যারা মৃত্যুবরণ করেছিলেন, তারা যুব কংগ্রেস ও কংগ্রেসের পতাকা হাতে নিয়ে আন্দোলন করেছিলেন। কিন্তু পরবর্তীকালে উনি আলাদা দল তৈরি করেন। এই আন্দোলন ও শহিদ দিবস উদযাপন আড়ম্বর, জৌলুস, ক্ষমতা প্রদর্শন এবং চটুল গানে ভরা একটি যোগদান মেলায় পরিণত হয়েছে। শহিদদের স্মরণ গৌণ হয়ে গিয়েছে। এবারে আমরা নির্বাচনের আগেই শহিদ মিনার ময়দান বুক করেছি। আসন্ন পুরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে বাম দলগুলির সঙ্গে সম্ভাব্য জোট নিয়েও প্রশ্নের মুখে পড়েন তিনি। তবে বিষয়টি নিয়ে স্পষ্ট অবস্থান না জানিয়ে বলেন, সময়ের দাবি অনুযায়ী রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
এদিন বারুইপুরে এনকাউন্টারের ঘটনায়ও সরব হন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি। তিনি বলেন, প্রভাস মণ্ডলকে নিয়ে এলাকায় যাওয়া হয়েছিল। তিনি শক্তিশালী কি না, সেটা আমার দেখার বিষয় নয়। পুলিশ কেন যথেষ্ট ব্যবস্থা নিল না? সত্যিই কি ওই ঘটনা ঘটেছে, নাকি তাকে খুন করে যাতে মুখ খুলতে না পারেন এবং গোপন তথ্য প্রকাশ্যে না আসে, সেই কারণে পরিকল্পিতভাবে এনকাউন্টারের নামে হত্যা করা হয়েছে— তা অনুসন্ধান করা প্রয়োজন। আমার মনে হয়, একজন কর্মরত বিচারকের অধীনে বিচার বিভাগীয় তদন্ত হওয়া উচিত।
প্রস্তুতি সভায় উপস্থিত ছিলেন পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা কংগ্রেস সভাপতি দেবাশীষ ঘোষ, ঝাড়গ্রাম জেলা কংগ্রেস সভাপতি গোলাপি সোরেন, রাজ্য নেতা অনিল শিকারিয়া, পার্থ ভৌমিক-সহ দুই জেলার একাধিক নেতা ও কর্মী।