নিজস্ব সংবাদদাতা (বর্ধমান): শহরের বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রীর বেআইনি মজুত এবং কালোবাজারি রুখতে বড়সড় অভিযানে নামল মঙ্গলবার জেলা প্রশাসন। রাজ্য সরকারের নির্দেশ মেনে বর্ধমান শহরের বিভিন্ন খুচরো ও পাইকারি বাজারে একযোগে যৌথ অভিযান চালায় খাদ্য দপ্তর ও জেলা পুলিশ। অভিযান চলাকালীন আধিকারিকরা চাল, চিনি-সহ একাধিক নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বর্তমান বাজারদর খতিয়ে দেখেন। পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের কাছে থাকা পণ্যের স্টকের পরিমাণ এবং সঠিক পাকা বিল রয়েছে কি না, তা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা করা হয়। মহকুমা শাসক জানান, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই মঙ্গলবার এই অভিযান চালানো হয়। সম্প্রতি বাজারে চিনির দাম ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় অসাধু ব্যবসায়ীরা যাতে কোনোভাবে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে কালোবাজারি করতে না পারে, তা নিশ্চিত করাই এই হানার মূল উদ্দেশ্য। শহরের বিভিন্ন প্রান্তের বাজারে আমাদের এই তদারকি জারি থাকবে"।
এই বিশেষ অভিযানে উপস্থিত ছিলেন, খাদ্য দপ্তরের উচ্চপদস্থ আধিকারিকগণ, মহকুমা শাসক (এসডিও),ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট অব পুলিশ (ডিএসপি), বর্ধমান থানার আইসি এবং জেলা পুলিশের একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, বর্ধমান শহরের অন্যতম প্রধান বাণিজ্য কেন্দ্র নতুনগঞ্জের পাইকারি ও খুচরো বাজার ছাড়াও শহরের অন্যান্য প্রান্তের বাজারগুলিতেও এই অভিযান ও তল্লাশি প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে।
ব্যবসাদাররা জানান, খাদ্য দপ্তর এবং প্রশাসনে আধিকারিকরা এসেছিলেন কোন জিনিসের কি দাম রয়েছে তা সঠিক দামে বিক্রি করা হচ্ছে কিনা এবং পাকা বিল রয়েছে কিনা সমস্ত বিষয়টি খতিয়ে দেখা হয়। যা যা দেখতে চেয়েছেন এবং দাম জানতে চেয়েছেন সবটাই জানিয়েছি , বেশি স্টক না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী যতটুকু স্টক রাখা ততটুকুই যেন রাখা হয় সেই সমস্ত বিষয়গুলো জানানো হয়েছে। চিনি ব্যবসায়ী সুশান্ত সিংহ জানান, চিনির কি দাম রয়েছে বেশি স্টক রয়েছে কিনা বিভিন্ন কাগজপত্র খতিয়ে দেখা হয়।ওনারা যা যা দেখতে চেয়েছেন দেখিয়েছি, পাশাপাশি দাম বাড়তি থাকার বিষয় নিয়ে চিনি ব্যবসায়ী তিনি জানান, মূলত আমদানি কম রয়েছে সেই কারণেই চিনির দাম এত বেড়েছে , সরকার চেষ্টা করছে।