কোচবিহারে সুপারি ব্যবসায়ীর দুই ঠিকানায় ইডি'র তল্লাশি
প্রদীপ কুন্ডু (কোচবিহার): কোচবিহার শহরে ইডি'র তল্লাশি অভিযানকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই জোড়াই মোড় এলাকার পরিচিত সুপারি ব্যবসায়ী বিনয় বর্মনের দুটি ঠিকানায় একযোগে তল্লাশি অভিযান শুরু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। একটি কোচবিহারের এসিডিসি ক্লাব সংলগ্ন ফ্ল্যাট এবং অন্যটি জোড়াই মোড় এলাকার তার বাড়ি।
সকাল থেকেই দুই ঠিকানাতেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা ঘেরাটোপের মধ্যে তল্লাশি চালাচ্ছেন ইডি -এর আধিকারিকরা। বাড়ির ভিতরে থাকা ব্যক্তিদের দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলেও সূত্রের দাবি। তল্লাশি চলাকালীন বাড়িতে থাকা ব্যক্তিদের মোবাইল ফোনও তদন্তকারী আধিকারিকরা নিজেদের হেফাজতে নিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। সূত্রের খবর, তল্লাশি অভিযানে বিভিন্ন নথিপত্র, আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত কাগজপত্র এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যদিও ঠিক কী ধরনের নথি বা সামগ্রী তদন্তকারীদের হাতে এসেছে, সে বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি তথ্য সামনে আসেনি। এদিকে, শহরের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকদের উপস্থিতি ঘিরে সকাল থেকেই শুরু হয়েছে ব্যাপক জল্পনা। বিশেষ করে বিনয় বর্মনের দুটি ঠিকানায় একইসঙ্গে অভিযান চলায় ব্যবসায়ী মহল থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের মধ্যেও কৌতূহল তৈরি হয়েছে। তবে কোন নির্দিষ্ট মামলার তদন্তের সূত্র ধরে এই তল্লাশি অভিযান, বিনয় বর্মনের বিরুদ্ধে ঠিক কী অভিযোগ রয়েছে এবং অভিযানে এখনও পর্যন্ত কী কী নথি বা সামগ্রী উদ্ধার কিংবা জব্দ করা হয়েছে—সে বিষয়ে EDইডি'র পক্ষ থেকে এখনও বিস্তারিত সরকারি বিবৃতি পাওয়া যায়নি। ফলে তদন্তকারী সংস্থার আনুষ্ঠানিক বক্তব্য সামনে না আসা পর্যন্ত অভিযানের উদ্দেশ্য বা সম্ভাব্য ফলাফল নিয়ে নিশ্চিতভাবে কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছনো যাচ্ছে না। তল্লাশি অভিযান শেষ হওয়ার পর ইডি'র পক্ষ থেকে কোনও নথি জব্দ, জিজ্ঞাসাবাদ বা পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ করা হয় কি না, এখন সেদিকেই নজর রয়েছে।