এক ঝলক

৬ অক্টোবর জেলা পরিষদের নির্বাচন, পুলিশি অভিযানে সরব বিক্ষুব্ধ তৃণমূল

বিশ্বজিৎ সাহা (মালদহ): আগামী ৬ অক্টোবর মালদা জেলা পরিষদের সভাধিপতি ও সহকারী সভাধিপতি নির্বাচন। তার আগে বিক্ষুব্ধ তৃণমূল কংগ্রেস সদস্যদের একটি জায়গায় পুলিশি অভিযান ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। বিক্ষুব্ধ শিবিরের সদস্য সাগরিকা সরকার এই ঘটনাকে ঘিরে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলেছেন। যদিও পুলিশি অভিযানের উদ্দেশ্য বা নির্দিষ্ট কারণ নিয়ে প্রশাসনের তরফে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ্যে আসেনি।উল্লেখ্য, ৪৩ আসনবিশিষ্ট মালদা জেলা পরিষদে ২০২৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস ৩৪টি আসন পায়। কংগ্রেসের দখলে যায় পাঁচটি এবং বিজেপি পায় চারটি আসন। তৃণমূলের লিপিকা বর্মন ঘোষ সভাধিপতি এবং এটিএম রফিকুল হোসেন সহকারী সভাধিপতি নির্বাচিত হন।পরবর্তীতে তৃণমূলেরই একাংশ সদস্য সভাধিপতি ও সহকারী সভাধিপতির বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনেন। বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। গত ১৮ আগস্ট হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে হওয়া তলবি সভায় বিক্ষুব্ধ তৃণমূলের ১৯ জন এবং কংগ্রেসের পাঁচ সদস্য মিলিয়ে মোট ২৪ জন সভাধিপতি ও সহকারী সভাধিপতির অপসারণের পক্ষে সমর্থন জানান। এরপর আগামী ৬ অক্টোবর নতুন করে সভাধিপতি ও সহকারী সভাধিপতি নির্বাচনের দিন ধার্য হয়েছে। প্রশাসনের তরফেও ওই দিন জেলা পরিষদের নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের জন্য বৈঠক ডাকা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বিক্ষুব্ধ তৃণমূল সদস্যদের দাবি, তাদের শিবিরে তৃণমূলের ১৯ জন এবং কংগ্রেসের পাঁচ সদস্য রয়েছেন। অর্থাৎ মোট ২৪ জন সদস্যের সমর্থন রয়েছে বলে দাবি করেছেন সাগরিকা সরকার। তার অভিযোগ, নির্বাচনের আগে তাদের উপর চাপ তৈরি করতেই পুলিশি অভিযান চালানো হয়েছে।অন্যদিকে, বিজেপির মালদা সাংগঠনিক জেলার সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ রায়ের বক্তব্য, তৃণমূলের সদস্যদের মধ্যেই অনাস্থা হয়েছে। বিষয়টি তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার বলেই মন্তব্য করেছেন তিনি।৬ অক্টোবরের নির্বাচনের আগে জেলা পরিষদের সদস্যদের অবস্থান ও সমর্থনের অঙ্ক নিয়েই এখন জোর চর্চা শুরু হয়েছে মালদার রাজনৈতিক মহলে। তবে শেষ পর্যন্ত সভাধিপতি ও সহকারী সভাধিপতি পদে কারা নির্বাচিত হন, তার জন্য অপেক্ষা করতে হবে ৬ অক্টোবরের বৈঠকের ফল পর্যন্ত।
Ganamadhyam
04 October, 2026
ই-পেপার