এক ঝলক
১৯৮৭ সালের ১ জুলাইয়ের আগে ভারতে জন্ম নেওয়া প্রত্যেকেই বৈধ নাগরিক ঃ জ্ঞানেশ কুমার চারটি পৃথক শহীদ দিবস, একুশে জুলাই নিয়ে দড়ি টানাটানি অব্যহত দলত্যাগীরা তৃনমূলে ফিরলে এক ঘন্টার মধ্যে ইস্তফা দেব ঃ অভিষেক সীমান্তে অমিত শাহ রামায়ণ’ নিয়ে বোমা ফাটালেন অন্নু কাপুর

আবার বালোগানের লাল কার্ড বিতর্ক উস্কে দিলেন ট্রাম্প

ওয়াশিংটন : বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে আবার আলোচনায় আমেরিকার লাল কার্ড দেখা ফুটবলার ফোলারিন বালোগানের শাস্তি স্থগিতের বিতর্ক।
Ganamadhyam
19 July, 2026

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেও আবার উস্কে দিলেন সেই বিতর্ক। যদিও ট্রাম্পের দাবি, এ বারের বিশ্বকাপ বিতর্কহীন। বিশ্বকাপের শেষ পর্বে এসে আয়োজক হিসাবে নিজেদের কৃতিত্বের কথা বলেছেন ট্রাম্প। তাঁর দাবি, এত ভাল প্রতিযোগিতা আর হয়নি। বিশ্বকাপের সাফল্য নিয়ে ট্রাম্প বলেছেন, ‘‘এ বারের বিশ্বকাপ অন্য যে কোনও প্রতিযোগিতার থেকে আলাদা।তীব্র প্রতিযোগিতা এবং অবিস্মরণীয় মুহূর্তে পরিপূর্ণ। তবে সবচেয়ে অবিস্মরণীয় মুহূর্ত হল, যখন ওই ভদ্রলোককে (বালোগান) লাল কার্ড দেখানো হয়। আমি ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোকে ফোন করে একটি সুপারিশ করতে বাধ্য হয়েছিলাম। বলেছিলাম, আমি একটি অভিযোগ দায়ের করতে চাই। তাতে কী হতে পারে, তা নিয়ে অবশ্য আমার কোনও ধারণা ছিল না। তবে যেটা হয়েছে, সেটা বেশ ভালই হয়েছে। কারণ ওটার মধ্যে কোনও বিতর্ক নেই। হ্যাঁ, বেলজিয়াম ম্যাচটা জিতেছিল। তবে আমাদের দলের সব ফুটবলার ছিল। ফিফা সভাপতি একটা চমৎকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।’’ ট্রাম্প বিতর্ক হয়নি বলে দাবি করলেও এ বারের বিশ্বকাপে সবচেয়ে বড় বিতর্কের কেন্দ্রে ছিল ওই ঘটনাই। বালোগান লাল কার্ড দেখায় দু’ম্যাচের জন্য নিলম্বিত (সাসপেন্ড) হন। তার পর ট্রাম্পে ফোন করেন ইনফান্তিনোকে। সেই ফোনের পরই বালোগানের শাস্তি এক বছরের জন্য পিছিয়ে দেওয়া হয় এবং তাঁকে বিশ্বকাপের ম্যাচ খেলার অনুমতি দেওয়া হয়। যদিও ইনফান্তিনোর দাবি, ট্রাম্প তাঁকে ফোন করলেও শাস্তি পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তে কোনও প্রভাব পড়েনি। অথচ একই রকম ঘটনায় অন্য কোনও দেশের ফুটবলারের শাস্তি পিছিয়ে দেওয়া হয়নি। যেমন একই রকম ফাউল করায় লাল কার্ড দেখেন ইংল্যান্ডের জ্যারেল কোয়ানসা। তাঁকেও দু’ম্যাচ নিলম্বিত করা হয়েছে। এক্ষেত্রে ফুটবল ফেডারেশনকে আবেদন করার সুযোগ পর্যন্ত দেয়নি ফিফার শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি। আবার বালোগানকে নিয়ে বেলজিয়ামের আবেদনও গ্রাহ্য করা হয়নি। ট্রাম্প আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে মেক্সিকো এবং কানাডাকে ছাড়া আমেরিকা একাই একটা বিশ্বকাপ আয়োজন করবে। ফিফা সভাপতির উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘‘আপনাদের আবার আমেরিকাকে বেছে নেওয়া উচিত। তবে আমরা মেক্সিকো এবং কানাডাকে নেব না সঙ্গে। আপনারা শুধু আমাদেরই বেছে নেবেন। এবার আমরা আপনাদের সিদ্ধান্তকে সম্মান করে উদারতা দেখিয়েছি। ফিফা সভাপতির আবার অন্য একটি ইচ্ছা আছে। উনি ভাবছেন পরের বার আমেরিকা আর চিনকে নিয়ে বিশ্বকাপ আয়োজন করবেন। তাতে দুটো ম্যাচের মধ্যে ফুটবলারেরা একটা ছোট বিমান সফরও করতে পারবে। মনে হয় এটা ওদের ভালই লাগবে।’’ আমেরিকা এবং চিনের যৌথ আয়োজনে বিশ্বকাপ হওয়া যে সম্ভব নয়, তা জানেন ট্রাম্প। একাধিক দেশ মিলিয়ে প্রতিযোগিতা আয়োজন হলে খেলোয়াড়দের যে যাতায়াতে ধকল হয়, সেটাই সম্ভবত বোঝাতে চেয়েছেন রসিকতার ছলে। তিন দেশ মিলে এবারের বিশ্বকাপ হওয়ায় ফুটবলারদের যথেষ্ট ধকল হয়েছে।
ই-পেপার