এক ঝলক
হঠাৎই শহরের কয়েকটি থানা পরিদর্শনে মুখ্যমন্ত্রী সংসদের অচলাবস্থা কাটাতে কিরেণ রিজিজু'র উদ্যোগ অভিষেকের বিদেশযাত্রায় আবার ধাক্কা, অনুমতি দিল না হাই কোর্ট ফারাক্কায় ভুয়ো এসটি সার্টিফিকেট কাণ্ড, শংসাপত্র বাতিল করল প্রশাসন পাঞ্জাব পুলিশের জালে সন্দেহভাজন আইএসআই ৯ জঙ্গি

হঠাৎই শহরের কয়েকটি থানা পরিদর্শনে মুখ্যমন্ত্রী

নিজস্ব সংবাদদাতা: আইনশৃঙ্খলার হাল খতিয়ে দেখতে কলকাতা শহরের বিভিন্ন থানা পরিদর্শন করলেন মুখ্যমন্ত্রী তথা রাজ্যের পুলিশমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার দুপুরে আচমকাই তিনি থানা পরিদর্শনে বার হন।কলকাতার আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা ও জরুরি পরিষেবার পরিকাঠামো খতিয়ে দেখতে নানা থানায় যান মুখ্যমন্ত্রী। পোর্ট ডিভিশনের অন্তর্ভুক্ত ওয়াটগঞ্জ থানা ও একবালপুর থানায় যান তিনি।এর পরে তিনি লালবাজারে কলকাতা পুলিশের সদর দফতর হয়ে সরাসরি পৌঁছে যান মির্জা গালিব স্ট্রিটের ফায়ার ব্রিগেড হেড কোয়ার্টারে। বুধবার দুপুরে ভবানীপুর এবং কলকাতা বন্দর এলাকায় ওয়াটগঞ্জ এবং একবালপুর থানায় যান মুখ্যমন্ত্রী। খতিয়ে দেখেন পরিকাঠামো ব্যবস্থা থেকে লক আপের অবস্থা। ওয়াটগঞ্জ থানাটি ভবানীপুর বিধানসভার মধ্যে পড়ে। অর্থাৎ, মুখ্যমন্ত্রীর নিজের বিধানসভা এলাকা। সেখানকার পুলিশ-প্রশাসনের সুবিধা-অসুবিধা খতিয়ে দেখেন পুলিশমন্ত্রী। ওয়াটগঞ্জ থানায় একটি চেয়ারে বসে বিভিন্ন অভিযোগপত্র দেখতে শুরু করেন মুখ্যমন্ত্রী। কোন মামলায় কী পদক্ষেপ করা হল, কর্তব্যরত পুলিশ আধিকারিকদের কাছে জানতে চান। ফাইলের পৃষ্ঠা উল্টোতে থাকেন মুখ্যমন্ত্রী। তার পর মহিলা সহায়তা ডেস্কের অবস্থা খতিয়ে দেখেন।
Ganamadhyam
06 August, 2026
খতিয়ে দেখেন রেজিস্টার। ডিউটি অফিসারদের সঙ্গে কথা বলতে বলতে সিঁড়ি ভেঙে উপরের তলায় ওঠেন। লক আপের সামনে দাঁড়িয়ে ভিতরের পরিস্থিতি দেখে বেরিয়ে আসেন। ওয়াটগঞ্জ থেকে মুখ্যমন্ত্রী চলে যান একবালপুর থানায়। সেখানেও খতিয়ে দেখেন থানার পরিকাঠামো, বিভিন্ন অভিযোগে কী পদক্ষেপ করা হয়েছে ইত্যাদি। পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলে বেরিয়ে পড়েন। তারপর আলিপুর পুলিশ লাইন্‌সে থাকাকালীন বড়বাজারে আগুন লাগার একটি ঘটনা কানে আসে মুখ্যমন্ত্রীর। সেখানে বসে খোঁজ নেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর প্রত্যেক থানায় মহিলা সহায়তা কেন্দ্র করার কথা ঘোষণা করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। তার বাস্তবায়ন কতটা হয়েছে, তা সরেজমিনে খতিয়ে দেখা শুরু করলেন তিনি। প্রশাসন সূত্রে খবর, আগামিদিনেও বিভিন্ন থানায় ‘সারপ্রাইজ ভিজিট’ করতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী। ইতিমধ্যেই থানাগুলিতে মহিলাদের জন্য আলাদা হেল্প ডেস্ক খোলা হয়েছে। সেখানে কী পরিকাঠামো রয়েছে, তা-ও খতিয়ে দেখেন মুখ্যমন্ত্রী। ডেস্কে বসে থানার কর্মীদের সঙ্গে কথা বলতেও দেখা যায় তাকে। সাইবার ক্রাইম সংক্রান্ত অভিযোগ জানাতে মহিলারা কোথায় যাবেন, তার হেল্প ডেস্ক কোথায়, কী ভাবে সেই অভিযোগ নেওয়া হয়, সেখানকার দায়িত্বে কারা আছেন, কী ভাব কাজ হচ্ছে সবই খোঁজ নেন মুখ্যমন্ত্রী। মির্জা গালিব স্ট্রিটে  ফায়ার ব্রিগেডের হেড কোয়ার্টারে গিয়েও উপস্থিত আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলে মুখ্যমন্ত্রী ফায়ার ব্রিগেডের বর্তমান পরিকাঠামো, আপৎকালীন পরিস্থিতিতে ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত থাকা গাড়ির সংখ্যা এবং মোট কর্মীর উপস্থিতি সংক্রান্ত বিস্তারিত খোঁজ নেন। নবান্ন সূত্রে ইঙ্গিত, আগামী দিনেও বিভিন্ন থানা ও সরকারি হাসপাতালে মুখ্যমন্ত্রীর এই ধরণের আচমকা নজরদারি জারি থাকবে।
ই-পেপার