আগামী ৩ মাস ফের জেলেই কাটাতে হবে কৌতুকাভিনেতাকে। খবর, ওই সাতটি মামলার জন্য অভিযোগকারীকে ১.০৫ কোটি টাকা-সহ ১.০৪ লক্ষ এবং ৭৫ হাজারের পাশাপাশি ২৫ হাজার টাকা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে রাজপাল যাদবকে। এছাড়াও রাজপালের স্ত্রী রাধা যাদবকে ৫ লক্ষ ৫১ হাজার টাকা মেটানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। ২০১০ সালে ‘আতা পাতা লাপাতা’ সিনেমার জন্য মুরালি প্রজেক্ট নামে দিল্লির এক সংস্থার থেকে ৫ কোটি টাকা ধার করেছিলেন অভিনেতা। সেই ছবির বক্স অফিসে ভরাডুবি হওয়ায় টাকা ফেরত দিতে পারেননি তিনি। ফলত, মামলা গড়ায় আদালত অবধি। এদিকে কয়েকবার সুযোগ দেওয়া সত্ত্বেও বকেয়া না মেটাতে পারায় গত ৫ ফেব্রুয়ারি দিল্লি উচ্চ আদালতের নির্দেশে আত্মসমর্পণ করেন রাজপাল যাদব। জেলযাত্রার প্রাক্কালে করুণ সুরে বলেছিলেন, আমার কোনও বন্ধু নেই যে বকেয়া টাকা মেটাবে। এর আগে ২০১৮ সালের এপ্রিল মাসে ম্যাজিস্ট্রেট আদালত রাজপালকে ৬ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছিল। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে দিল্লি হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন অভিনেতা এবং তার স্ত্রী। চেক বাউন্সের মামলায় সেসময়ে তাদের সাজা স্থগিত হয়ে যায়। এরপর ২০২৪ সালে ফের দোষী সাব্যস্ত হলেও রাজপালের সাজা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়। মামলাকারীদের সঙ্গে সমঝোতা করে বা অর্থ ফেরত দিয়ে বিষয়টির নিষ্পত্তি হয়ে যাবে বলেই আশা করেছিল আদালত। কিন্তু দু’দফায় ২.২৫ কোটি টাকা মেটালেও বাকিটা বকেয়া রয়ে গিয়েছে। সেই প্রেক্ষিতেই আদালতের নির্দেশে এবার ফের রাজপাল যাদবকে তিন মাস জেলবন্দি থাকতে হবে।