একাদশ শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে গৃহশিক্ষককে। অভিযোগ, পানীয়ের সঙ্গে মাদক মিশিয়ে ছাত্রীকে ধর্ষণ করে অভিযুক্ত শিক্ষক। জানা গিয়েছে, দিন চারেক আগে গৃহশিক্ষক বাড়িতে পড়তে ডাকেন ছাত্রীকে। কিশোরীর অভিযোগ, পড়ানোর বাহানায় তার সঙ্গে সময় কাটাতে চেয়েছিলেন গৃহশিক্ষক। পানীয়ের সঙ্গে মাদকজাতীয় কিছু মিশিয়ে তাকে দিয়েছিলেন। ওই পানীয় পান করার কিছু ক্ষণের মধ্যে তিনি অচেতন হয়ে পড়েছিলেন। সেই সময় গৃহশিক্ষক তাকে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ। জ্ঞান ফেরার পরে অসুস্থবোধ করেন ছাত্রী। তিনি বাড়ি যেতে চান। তার পর একাই বাড়ি ফিরেছিলেন। পরে বাড়িতে সবটা জানায় ওই ছাত্র। তারপরেই পরিবারের তরফে লেকটাউন থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। তার ভিত্তিতে শনিবার অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। রবিবার ধৃত গৃহশিক্ষককে বিধাননগর আদালতে হাজির করানো হয়। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে ধৃতকে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার জন্য বিচারকের কাছে আবেদন জানিয়েছে তারা। অন্য দিকে, আদালতে যাওয়ার পথে অভিযুক্ত দাবি করেন, তিনি ওই কাজ করেননি। তাকে ফাঁসানো হয়েছে। উল্লেখ্য, গত ৮ জুলাই এক তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ হয় তিলজলা থানায়। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্তের মেয়ের সঙ্গে অভিযোগকারিণীর বহুদিনের বন্ধুত্ব। সেই সূত্রেই দুই পরিবারের মধ্যে যাতায়াত ছিল। সম্প্রতি অভিযোগকারিণীর নিজের বাড়িতে কিছু সমস্যা থাকায় কয়েকদিন ধরে তিনি বান্ধবীর বাড়িতেই ছিলেন। অভিযোগ, বাড়ির অন্য সদস্যরা প্রয়োজনে বাইরে বেরোলে বাড়ি ফাঁকা থাকার সুযোগ নিয়ে ওই তরুণীকে ধর্ষণ করা হয়।