বিধায়কের হস্তক্ষেপে হাল বদলের চেষ্টা ভাটপাড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতালের
নিজস্ব প্রতিনিধি(ব্যারাকপুর): রেফার রোগে জর্জরিত ছিল ভাটপাড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতাল। কিন্তু ভাটপাড়ার তরুণ বিধায়ক পবন কুমার সিংয়ের উদ্যোগে হাল ফিরছে এই হাসপাতালের।
সোমবার বেলায় ভাটপাড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শনে আসেন বিধায়ক পবন কুমার সিং। তিনি প্রসূতি বিভাগ, শল্য চিকিৎসা বিভাগ এবং ওপিডি বিভাগ ঘুরে দেখেন। রোগীদের সঙ্গে তিনি কথা বলেন। সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বিধায়ক পবন কুমার সিং বলেন, তার ঠাকুরদার উদ্যোগে কংগ্রেস জমানায় এই হাসপাতাল গড়ে উঠেছিল। সেইজন্য এই হাসপাতালের সঙ্গে তাঁর সেন্টিমেন্ট জড়িয়ে আছে। তৃণমূল জমানায় তাঁর বিধায়ক তহবিলের অর্থে একটা ডিজিটাল এক্সরে মেশিন এবং একটা ইউএসজি মেশিন প্রদান করা হয়েছিল। ইউএসজি মেশিন চালু হলেও, ডিজিটাল এক্সরে মেশিন এখনও চালু করা যায়নি। ১৭০ কেভির বৈদ্যুতিক সংযোগ হওয়ার পর রোগীরা ওই এক্সরে মেশিনের পরিষেবা পাবেন । বিধায়ক আরও জানান, দু'মাস আগে মহকুমা শাসকের উপস্থিতিতে বৈঠকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফে যা যা দাবি রাখা হয়েছিল। অল্প কিছু বাদে সমস্ত দাবি পূরণ করা হয়েছে। পবনের কথায়, সরকার এবং চিকিৎসক ছাড়া যারা এই হাসপাতালকে ভালোবাসেন তাদের সহযোগিতায় হাসপাতালের উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে। অপরদিকে হাসপাতাল সুপার মিজানুল ইসলাম জানান, বিধায়কের হস্তক্ষেপে ৭০ শতাংশ কাজ হয়ে গেছে। ১৭০ কেভির বৈদ্যুতিক সংযোগ এবং বিদ্যুৎ রূপান্তর কেন্দ্র গড়ে তোলার জন্য এক কোটি টাকা অনুমোদন মিলেছে। সমস্ত ওয়ার্ডের মেঝেতে টাইলস বসানো এবং নতুন করে শৌচালয় নির্মাণ বাবদ আরও এক কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। কাজের ওয়ার্ক অর্ডার ইস্যু হয়েছে। তিনি আরও জানান, জগদ্দল স্টেশনের ১ নম্বর টিকিট কাউন্টারের কাছে মাঠের শেষপ্রান্তের জমি যাতে দখল না হয়, সেদিকে খেয়াল রেখে চারদিকে বাউন্ডারি দেবার জন্য অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে। তাছাড়া আগে গোটা হাসপাতাল জুড়ে মাত্র ২০টি সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছিল। আরও ৪০ টি ক্যামেরা বসানোর কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। তার দাবি, আগের তুলনায় 'রেফার' বহুগুণ কমে গিয়েছে। এদিন বিধায়কের সঙ্গে ছিলেন তার নিযুক্ত প্রতিনিধি রিতেশ কুমার সিং, বিট্টু সিং, অরুণ সিং প্রমুখ।